<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>avapq &#8211; BizTech Standard</title>
	<atom:link href="https://biztech.mydailymint.com/author/avapq/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://biztech.mydailymint.com</link>
	<description>Inspiring Tech Needs for Business</description>
	<lastBuildDate>Mon, 04 May 2026 11:56:08 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2024/10/cropped-BIZTECH-icon-32x32.png</url>
	<title>avapq &#8211; BizTech Standard</title>
	<link>https://biztech.mydailymint.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
<site xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">253226537</site>	<item>
		<title>টেকসই উন্নয়নের রূপকার বাংলাদেশের এই ১০ টি প্রতিষ্ঠান</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/top-10-organizations-in-bangladesh-that-influence-sustainable-development/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/top-10-organizations-in-bangladesh-that-influence-sustainable-development/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 13 Nov 2024 06:26:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4382</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী ব্যবসার জন্য টেকসই একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠছে এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দেশে তাজরিন ফ্যাশন এবং রানা প্লাজার ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পর, শিল্প-প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং পরিবেশ নিয়ে কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে কাজ করা শুরু করেছে। দেশের বেশ কয়েকটি কোম্পানি টেকসই প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং পরিবেশ বান্ধব প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। চলুন আজকে বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি টেকসই ব্যবসা- প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো যারা একটি সবুজ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করছে। গ্রামীণফোন &#160; গ্রামীণফোন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম অপারেটর। ব্লুমবার্গের স্থায়িত্বের তালিকায় ৩৯.৬  স্কোর নিয়ে এটি শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশী কোম্পানি হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। গ্রামীণফোন তার কার্যকলাপে টেকসই অনুশীলনের বিষয়কে একীভূত করেছে। একইসাথে কার্বন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/top-10-organizations-in-bangladesh-that-influence-sustainable-development/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400">বিশ্বব্যাপী ব্যবসার জন্য টেকসই একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠছে এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দেশে তাজরিন ফ্যাশন এবং রানা প্লাজার ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পর, শিল্প-প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং পরিবেশ নিয়ে কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে কাজ করা শুরু করেছে। দেশের বেশ কয়েকটি কোম্পানি টেকসই প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং পরিবেশ বান্ধব প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। চলুন আজকে বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি টেকসই ব্যবসা- প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো যারা একটি সবুজ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করছে।</span></p>
<p><b>গ্রামীণফোন</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8419" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-01-15.jpg" alt="গ্রামীণফোনের লোগো, টাওয়ার, মডেম, এবং মোবাইল ফোনের ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">গ্রামীণফোন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম অপারেটর। ব্লুমবার্গের স্থায়িত্বের তালিকায় ৩৯.৬  স্কোর নিয়ে এটি শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশী কোম্পানি হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। গ্রামীণফোন তার কার্যকলাপে টেকসই অনুশীলনের বিষয়কে একীভূত করেছে। একইসাথে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রচার এবং তার নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব কমানোর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে। কোম্পানির সবচেয়ে স্ট্যান্ডআউট উদ্যোগ হল গ্রামীণ এলাকায় সৌর-চালিত বেস স্টেশন ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি। এই পদক্ষেপটি কেবল কার্বন পদচিহ্নই কমায় না বরং বিদ্যুতের সীমিত সরবারহ অঞ্চলগুলোতে নির্ভরযোগ্য টেলিযোগাযোগ পরিষেবা দেয়। অধিকন্তু, গ্রামীণফোন সক্রিয়ভাবে ইলেকট্রনিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচির প্রচারে, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য, টেকসইতার সামাজিক দিকটিতে অবদান রাখে। পরিবেশ সচেতনতা বজায় রেখে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরিতে তাদের প্রচেষ্টা গ্রামীণফোনকে বাংলাদেশে টেকসই ব্যবসায়িক চর্চায় সত্যিকারের নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছে।</span></p>
<p><b>ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) বাংলাদেশ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8418" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-02-15.jpg" alt="ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) বাংলাদেশের লোগো ও অফিস ভবনের ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">বিএটি বাংলাদেশ হলো ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। ব্লুমবার্গের টেকসই উন্নয়নের তালিকায় ৩৫.৪ স্কোর নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে তামাক উৎপাদনের সাথে যুক্ত থাকাকালীন, বিএটি বাংলাদেশ পরিবেশগত স্টুয়ার্ডশিপ, শক্তি সংরক্ষণ এবং সম্প্রদায়ের উন্নয়নের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। সংস্থাটি বেশ কিছু সবুজ উদ্যোগ চালু করেছে। যেমন পুনঃবনায়ন প্রকল্প এবং উত্পাদন প্রক্রিয়াতে জলের ব্যবহার হ্রাস করা। বিএটি বাংলাদেশ বায়োএনার্জি উদ্যোগও চালু করেছে। পরিবেশগত প্রচেষ্টার পাশাপাশি, কোম্পানিটি টেকসই কৃষি অনুশীলনের মাধ্যমে কৃষকদের জীবিকা উন্নত করে এমন প্রকল্পতে বিনিয়োগ করছে।</span></p>
<p><b>ম্যারিকো বাংলাদেশ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8417" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-03-8.jpg" alt="ম্যারিকো বাংলাদেশের লোগো ও কর্পোরেট অফিসের ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">ব্লুমবার্গের টেকসই তালিকায় ৩৪.৯ স্কোর নিয়ে ম্যারিকো বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এটি মূলত ভোগ্যপণ্য (এফএমসিজি) সেক্টরে একটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি। এটি প্যারাসুট নারকেল তেলের জন্য বেশ পরিচিত। ম্যারিকো পরিবেশ-বান্ধব প্যাকেজিং, শক্তি-দক্ষ উত্পাদন এবং কাঁচামালের দায়িত্বশীল উত্সের মাধ্যমে স্থায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সংস্থাটি স্থানীয় কৃষকদের সাথে কাজ করে, জৈব এবং টেকসই কৃষি অনুশীলনকে  উৎসাহিত করে যা কৃষি বাস্তুতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। শুধু তাই নয়, ম্যারিকো বাংলাদেশ তার প্যাকেজিংয়ে প্লাস্টিক ব্যবহার কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</span></p>
<p><b>ব্র্যাক ব্যাংক</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8416" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-04-4.jpg" alt="ব্র্যাক ব্যাংক সম্পর্কিত একটি ছবি, যেখানে ব্যাংকিং সেবার ধারণা তুলে ধরা হয়েছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশে টেকসই ব্যাংকিং প্রচারে অগ্রগামী। এটি তার আর্থিক ক্রিয়াকলাপগুলিতে পরিবেশগত, সামাজিক এবং শাসনের (ইএসজি) মানদণ্ডকে একীভূত করে, এটি নিশ্চিত করে যাতে এর ব্যবসায়িক কার্যক্রম সমাজ এবং পরিবেশে ইতিবাচকভাবে অবদান রাখে। ব্র্যাক ব্যাংক সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের সাথেও জড়িত। যার লক্ষ্য আর্থিক সাক্ষরতা উন্নত করা এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ঋণের সুবিধা প্রদান। কাগজবিহীন ব্যাংকিং এবং শক্তি-দক্ষ ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমাতে এই ব্যাংকের প্রচেষ্টাও উল্লেখযোগ্য।</span></p>
<p><b>আইডিএলসি ফাইন্যান্স</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8415" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-05-3-1.jpg" alt="আইডিএলসি ফাইন্যান্সের সম্পর্কিত একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">আইডিএলসি ফাইন্যান্স ৩১.১ স্কোর নিয়ে ব্লুমবার্গের স্থায়িত্ব তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে।  কোম্পানিটি শক্তি-দক্ষ প্রকল্প, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা লক্ষ্য করে সবুজ অর্থায়ন পণ্য চালু করেছে। আইডিএলসি -এর অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হল ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) অর্থায়নের উপর এর ফোকাস যা টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়। এটি শুধুমাত্র সামগ্রিক কার্বন পদচিহ্ন কমাতে সাহায্য করে না বরং পরিবেশ-সচেতন ব্যবসার বৃদ্ধিকেও সহায়তা করে। কোম্পানিটি কর্পোরেট গভর্নেন্সের উপরও জোর দেয়।</span></p>
<p><b>স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8414" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-06-2.jpg" alt="স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সম্পর্কিত একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এবং ব্লুমবার্গের টেকসই তালিকায় ২৬ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। কোম্পানিটি পরিবেশবান্ধব উৎপাদন পদ্ধতি এবং শক্তি-দক্ষ প্রযুক্তি গ্রহণ করে টেকসইতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস তার উৎপাদন প্রক্রিয়ার মধ্যে সৌর শক্তি প্রবর্তন করেছে এবং দক্ষ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্জ্য কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংস্থাটি জল সংরক্ষণ এবং পুনর্ব্যবহার করার উপরও জোর দেয়। পরিবেশগত প্রচেষ্টার পাশাপাশি, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস সক্রিয়ভাবে সামাজিক কারণগুলোতে অবদান রাখে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে।</span></p>
<p><b>ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8413" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-07-1.jpg" alt="ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের সম্পর্কিত একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স প্রস্তুতকারক এবং  ব্লুমবার্গের টেকসই তালিকায় ২৩.৭ স্কোর নিয়ে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। ওয়ালটন শক্তি-দক্ষ উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে এবং পরিবেশ-বান্ধব পণ্য বিকাশের মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনার-এর মতো শক্তি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি উৎপাদনে কোম্পানির ফোকাস বাংলাদেশের পরিবার জুড়ে শক্তি খরচ কমাতে সাহায্য করে। ওয়ালটন এটাও নিশ্চিত করে যাতে তার উৎপাদন সুবিধাগুলো আন্তর্জাতিক পরিবেশগত মান মেনে চলে ও বর্জ্য নির্গমন কম করে।</span></p>
<p><b>বিএসআরএম</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8412" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-08-1.jpg" alt="বিএসআরএম-এর সম্পর্কিত একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) একটি নেতৃস্থানীয় ইস্পাত প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যা টেকসইতার উদ্ভাবনী পদ্ধতির জন্য পরিচিত। বিএসআরএম -এর অন্যতম প্রধান কৃতিত্ব হল দস্তা ছাই রপ্তানিতে অগ্রণী প্রচেষ্টা,  এটি এমন একটি উপজাত যা পূর্বে পরিবেশগত বিপদ হিসেবে বিবেচিত  হত। জিঙ্ক অ্যাশের পুনঃপ্রয়োগ করে বিএসআরএম ইস্পাত শিল্পের মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্ব্যবহারে একটি উদাহরণ স্থাপন করেছে। কোম্পানিটি তার উৎপাদন সুবিধাগুলিতে শক্তি-দক্ষ প্রযুক্তি প্রয়োগ করেছে, কার্বন নিঃসরণ কমিয়েছে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করেছে। বিএসআরএম টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, পরিবেশগত দায়িত্বের সাথে শিল্প বৃদ্ধির ভারসাম্য রক্ষা করে।</span></p>
<p><b>প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8411" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-09-1.jpg" alt="প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের লোগো সহ একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ বাংলাদেশের খাদ্য ও পানীয় শিল্পের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি তার কারখানার ভবন এবং অবকাঠামোর নকশায় টেকসই অনুশীলনগুলোকে একীভূত করেছে, যাতে ন্যূনতম পরিবেশগত প্রভাব নিশ্চিত করা যায়। প্রাণ-আরএফএল তার কার্যক্রম জুড়ে জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা, শক্তি-দক্ষ উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করেছে। কোম্পানিটি দায়িত্বের সাথে কাঁচামাল সোর্সিং এবং কৃষি প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায়কে সমর্থন করার উপরও মনোযোগ দেয়। শক্তি ও পানির ব্যবহার কমিয়ে প্রাণ-আরএফএল তার বৃহৎ আকারের উৎপাদন কার্যক্রমের পরিবেশগত প্রভাব কমাতে সাহায্য করছে।</span></p>
<p><b>এসিআই লিমিটেড</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8410" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-10-1.jpg" alt="এসিআই লিমিটেডের অফিস ভবনের ছবি এবং টেকসই উন্নয়ন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) লিমিটেড বাংলাদেশের সবচেয়ে টেকসই ব্যবসার তালিকার মধ্যে একটি। কোম্পানিটি পরিবেশ বান্ধব কৃষি অনুশীলনের প্রচারে গভীরভাবে জড়িত এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের উপর দৃঢ় ফোকাস রয়েছে। এসিআই লিমিটেড জৈব-বান্ধব বিকল্প প্রচারের মাধ্যমে কৃষিতে রাসায়নিক ব্যবহার কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংস্থাটি অ-নবায়নযোগ্য উৎসের উপর নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য শক্তি, বিশেষত সৌর শক্তিতে বিনিয়োগ করেছে। পরিবেশগত উদ্যোগের পাশাপাশি এসিআই বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচীর সাথে জড়িত, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">টেকসইয়ের দিকে বাংলাদেশের যাত্রার নেতৃত্ব দিচ্ছে কিছু বিশেষ কোম্পানি যারা পরিবেশগত এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভারসাম্য রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গ্রামীণফোনের পরিবেশ-বান্ধব উদ্যোগ থেকে শুরু করে টেকসই কৃষিতে এসিআই-এর ফোকাস, এই ব্যবসাগুলো দায়িত্বশীল কর্পোরেট আচরণের জন্য একটি নতুন মান স্থাপন করছে। ব্যবসায়িক বিশ্বে টেকসই ধারণা আরও বদ্ধমূল হয়ে উঠলে, আমরা আশা করতে পারি যে এই প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশেকে একটি সবুজ ভবিষ্যতের দিকে নেতৃত্ব দিতে।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00060/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/top-10-organizations-in-bangladesh-that-influence-sustainable-development/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4382</post-id>	</item>
		<item>
		<title>কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা হলো বৈশ্বিক মুদ্রা?</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/why-us-dollar-stand-as-one-of-the-most-influential-currencies-in-the-world/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/why-us-dollar-stand-as-one-of-the-most-influential-currencies-in-the-world/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Nov 2024 07:17:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কারেন্সী]]></category>
		<category><![CDATA[ফিন-ইকোনমি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4209</guid>

					<description><![CDATA[যদি সার্বজনীন মুদ্রার কথা বলি যা আপনি যেখানে চাইবেন ব্যবহার করতে পারবেন, আপনার মাথায় কোন মুদ্রার নাম আসবে? অবশ্যই মার্কিন ডলার! কখনও ভেবে দেখেছেন কোনো দেশের মুদ্রা কতটা শক্তিশালী বা দুর্বল তাও কিন্তু তুলনা করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী মুদ্রা অর্থাৎ মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে। কিন্তু কেন? কীভাবে মার্কিন ডলার বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী মুদ্রা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে? কেন আমরা নিজ দেশের বাইরে যেখানেই যাই না কেন মার্কিন ডলার সাথে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এটি কোনো সহসা অর্জন নয়; বরং দীর্ঘ সময় ধরে ইতিহাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা, সিদ্ধান্ত এবং অর্থনৈতিক গতিবিধির কারণে মার্কিন ডলার আজকের এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। চলুন জানা যাক আজ এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/why-us-dollar-stand-as-one-of-the-most-influential-currencies-in-the-world/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/anika/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আনিকা তায়্যিবা</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400">যদি সার্বজনীন মুদ্রার কথা বলি যা আপনি যেখানে চাইবেন ব্যবহার করতে পারবেন, আপনার মাথায় কোন মুদ্রার নাম আসবে? অবশ্যই মার্কিন ডলার! কখনও ভেবে দেখেছেন কোনো দেশের মুদ্রা কতটা শক্তিশালী বা দুর্বল তাও কিন্তু তুলনা করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী মুদ্রা অর্থাৎ মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে। কিন্তু কেন? কীভাবে মার্কিন ডলার বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী মুদ্রা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে? কেন আমরা নিজ দেশের বাইরে যেখানেই যাই না কেন মার্কিন ডলার সাথে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এটি কোনো সহসা অর্জন নয়; বরং দীর্ঘ সময় ধরে ইতিহাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা, সিদ্ধান্ত এবং অর্থনৈতিক গতিবিধির কারণে মার্কিন ডলার আজকের এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। চলুন জানা যাক আজ এই সম্পর্কেঃ</span></p>
<p><b>মার্কিন ডলারের উৎপত্তি</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8406" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-01-14-1.jpg" alt="মুদ্রা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, মার্কিন ডলারের উৎপত্তি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">মার্কিন ডলারের ইতিহাস খুঁজতে গেলে দেখা যাবে এর গোড়াপত্তন হয় উপনিবেশিক যুগে। ১৬৯০ সালে ম্যাসাচুসেটস বে কলোনি যখন প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করে, তখন তা মূলত সামরিক খরচ নির্বাহের জন্য ব্যবহৃত হত। তবে ১৭৮৫ সালের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডলারের চিহ্নটি গ্রহণ করা হয়, যা স্প্যানিশ আমেরিকান পেসোর থেকে অনুপ্রাণিত। এর পরিপূর্ণ রূপটি আসে ১৯০০ সালের শুরুতে, বিশেষ করে ১৯১৪ সালে, যখন ফেডারেল রিজার্ভ অ্যাক্ট পাস হওয়ার পর কেন্দ্রীয়ভাবে ডলার মুদ্রণ শুরু হয়।</span></p>
<p><b>সোনার মুদ্রার যুগ এবং এর পরিবর্তন</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8405" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-02-14.jpg" alt="মুদ্রার ইতিহাসে সোনার মুদ্রার যুগ এবং এর পরিবর্তন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">২০ শতকের শুরুর দিকে বিশ্বের অধিকাংশ উন্নত দেশ সোনার সাথে তাদের মুদ্রাকে সংযুক্ত করে এক ধরণের স্থিতিশীল বিনিময় হার নিশ্চিত করত। তবে, ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অনেক দেশ সোনার মানদণ্ড স্থগিত করে এবং সামরিক খরচ চালাতে কাগজের মুদ্রার দিকে ঝুঁকে পড়ে। ফলে মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পথ সুগম হয়। এ সময় ব্রিটেনসহ অন্যান্য অনেক দেশ বিপুল অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হয়</span></p>
<p><b>বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন অর্থনৈতিক শক্তি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিত্র শক্তিদের অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রধান দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়। মিত্র দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে সোনা দিয়ে মূল্য পরিশোধ করতে থাকে, যার ফলে যুদ্ধের শেষে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম সোনা রিজার্ভের মালিক হয়ে ওঠে। এর ফলে, যুদ্ধ পরবর্তী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র একটি বিশেষ স্থান অর্জন করে।</span></p>
<p><b>ব্রেটন উডস চুক্তি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">১৯৪৪ সালে, ৪৪টি মিত্র দেশের প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস নামক জায়গায় একটি বৈঠক করেন। সেখানে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থার একটি নতুন কাঠামো গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়, যা ব্রেটন উডস চুক্তি নামে পরিচিত। এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত হয়। কারণ, চুক্তি অনুযায়ী দেশগুলোর মুদ্রা আর সোনা সরাসরি বিনিময় না করা গেলে মার্কিন ডলারের সাথে বিনিময় বৈধ ছিল।</span></p>
<p><b>মার্কিন ডলারকে বৈশ্বিক মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">ব্রেটন উডস চুক্তির ফলে মার্কিন ডলার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে। অন্যান্য দেশগুলো তাদের ডলারের রিজার্ভ বাড়াতে শুরু করে এবং সেই রিজার্ভ সংরক্ষণের জন্য তারা মার্কিন ট্রেজারি সিকিউরিটি কিনে নিতে থাকে। তবে ১৯৭১ সালে, ডলারের প্রতি আস্থা কমতে শুরু করলে দেশগুলো তাদের ডলারের মজুদ সোনায় রূপান্তর করতে থাকে। তবে এর পরও মার্কিন ডলার তার বৈশ্বিক মুদ্রার অবস্থান ধরে রাখে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8404" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-03-7.jpg" alt="মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলারকে বৈশ্বিক স্বীকৃতি প্রদান।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>বর্তমানে মার্কিন ডলারের অবস্থান</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">এখনও মার্কিন ডলার বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে বজায় আছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) অনুযায়ী, বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তাদের রিজার্ভের একটি বড় অংশ ডলারে সংরক্ষণ করে থাকে, যা আনুমানিক ৫৯% এর সমান। পরবর্তীতে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেশগুলো এই ডলার বিক্রি করে বা দ্রব্যপণ্য আমদানীর ক্ষেত্রে কাজে লাগায়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনশীল, তাই ভবিষ্যতে মার্কিন ডলার রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে এর অবস্থান টিকিয়ে রাখতে পারবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। ডলারের পরে দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত মুদ্রা হলো ইউরো যা একদিন হয়তো ডলারকে প্রতিস্থাপন করতে পারে। তবে এর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ বিভাগের অভাব বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">উপনিবেশিক যুগ থেকে ব্রেটন উডস চুক্তি পর্যন্ত ইতিহাসের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে মার্কিন ডলার আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে আজ এই শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। যদিও সামনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবে মার্কিন ডলার এখনো বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রধান রিজার্ভ ও বিনিময় মুদ্রা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00059/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/why-us-dollar-stand-as-one-of-the-most-influential-currencies-in-the-world/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4209</post-id>	</item>
		<item>
		<title>ভারতের গ্লোবাল আইকন রতন টাটা যেভাবে গড়লেন ‘টাটা গ্রুপ”</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/ratan-tata-the-remarkable-success-story-of-tata-group/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/ratan-tata-the-remarkable-success-story-of-tata-group/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Nov 2024 05:43:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[কোম্পানি ফরেনসিকস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<category><![CDATA[স্টার্টআপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4182</guid>

					<description><![CDATA[বর্তমান সময়ে টাটা গ্রুপ নিত্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার পণ্যে তাদের অবদান রেখেছে। যখন আপনি গাড়িতে করে ট্র্যাভেল করেন টাটা মোটরস। যখন আপনি বিমানে ট্রাভেল করেন ভিস্তারা এয়ারলাইন্স অথবা এয়ার ইন্ডিয়া সবকিছুই টাটার অধীনে। বলতে গেলে টাটা গ্রুপ শুধু নিজেদের লাভের দিকে তাকায়নি তারা ভারতকে অর্থনৈতিক ভাবে শক্ত হতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। মিস্টার রতন টাটা ১৯৬২ থেকেই টাটা গ্রুপের পারিবারিক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন। এর আগে তিনি আমেরিকাতে আর্কিটেকচার নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। টাটা গ্রুপের পক্ষ থেকে তার প্রথম কাজ ছিল ভারতের ঝাড়খণ্ডে জমশেদপুরে টাটার স্টিল তৈরি কারখানায়। &#160; রতন টাটা কে ১৯৭১ সালে ন্যাশনাল রেডিও এবং ইলেকট্রনিক্সের (নেলকো) দায়িত্ব পান। সে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/ratan-tata-the-remarkable-success-story-of-tata-group/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400">বর্তমান সময়ে টাটা গ্রুপ নিত্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার পণ্যে তাদের অবদান রেখেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">যখন আপনি গাড়িতে করে ট্র্যাভেল করেন টাটা মোটরস। যখন আপনি বিমানে ট্রাভেল করেন ভিস্তারা এয়ারলাইন্স অথবা এয়ার ইন্ডিয়া সবকিছুই টাটার অধীনে। বলতে গেলে টাটা গ্রুপ শুধু নিজেদের লাভের দিকে তাকায়নি তারা ভারতকে অর্থনৈতিক ভাবে শক্ত হতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">মিস্টার রতন টাটা ১৯৬২ থেকেই টাটা গ্রুপের পারিবারিক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন। এর আগে তিনি আমেরিকাতে আর্কিটেকচার নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। টাটা গ্রুপের পক্ষ থেকে তার প্রথম কাজ ছিল ভারতের ঝাড়খণ্ডে জমশেদপুরে টাটার স্টিল তৈরি কারখানায়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8400" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-01-13-1.jpg" alt="টাটা গ্রুপের লোগো, ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">রতন টাটা কে ১৯৭১ সালে ন্যাশনাল রেডিও এবং ইলেকট্রনিক্সের (নেলকো) দায়িত্ব পান। সে সময় নেলকো রেডিও তৈরি করতো এবং মার্কেটে তাদের শেয়ার প্রায় ২ % নেমে আসে। ঠিক সেই সময় রতন টাটা বলেন যদি নেলকো বাঁচাতে চান তবে স্যাটেলাইটের মত আধুনিক যন্ত্রে বিনিয়োগ করতে হবে। রতন টাটার এই সিদ্ধান্তে ৩ বছরের মধ্যে নেলকোর মার্কেট শেয়ার ২০%-এ পরিণত হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">রতন টাটার দ্বিতীয় অ্যাসাইনমেন্ট ছিল ইমপ্রেস মিল কে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। তবে বিনিয়োগকারীদের অনীহা এবং মুম্বাইতে শ্রমিক ধর্মঘটের কারণে এ ধাক্কায় তিনি পাশ করতে পারেননি। তবে এত দিনে টাটা গ্রুপের সবাই বুঝে গিয়েছিল যে রতন টাটার হাতেই টাটা গ্রুপের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। তাই ১৯৯১ সালে রতন টাটাকে বানানো হয় টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8399" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-02-13.jpg" alt="রতন টাটা, টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">চেয়ারম্যান হওয়ার পরে ১৯৯৫ সালে মিস্টার রতন গাড়ি নির্মাণে মনোযোগ দেন। যেখানে ডিজাইন থেকে উৎপাদন সম্পূর্ণ হবে ভারতে। সেই ভাবনা থেকে ১৯৯৮ সালে টাটা গ্রুপ তাদের প্রথম গাড়ি বাজারে আনে যার নাম ছিল TATA INDICA.</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শেষের পরে মিস্টার টাটা নজর দেন টেকনোলজির দিকে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস ) শুরুতে ভারতীয় কোম্পানিগুলোকে প্রশাসনিক কাজে সাহায্য করতো। তবে মিস্টার টাটা এই কোম্পানির কাজ প্রশাসনিক কাজ থেকে সরিয়ে সফটওয়্যার সার্ভিস দেবার ক্ষেত্রে। যার ফলে টিসিএস ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানির জন্য সফটওয়্যার তৈরির কাজ শুরু করে। বর্তমানে টিসিএস ভারতের সব থেকে বড় আইটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8398" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-03-6-1.jpg" alt="টাটা ন্যানো গাড়ি, ভারতের সর্বাধিক পরিচিত সস্তা গাড়ি মডেল।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">মিস্টার টাটা আবার তার মনোযোগ টাটা মোটরসে দেন। তিনি দেখেন ভারতের বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার একটা গাড়ি কিনতে পারেন না। একদিন তিনি দেখেন এক বাইকে পরিবারের চারজন বৃষ্টিতে ভিজে কোথাও যাচ্ছে। এই সমস্য সমাধানে টাটা মোটরস বাজারে নিয়ে আসে TATA NANO। কিন্তু এই প্রজেক্টটি সফলতার মুখ দেখেনি। কারণ ভারতে গাড়ি একটা আভিজাত্য সেখানে যারা টাটা নেনো কিনতো তারা মূলত সামাজিক ভাবে ছোট নজরে দেখা হতো। ওই দেখ সব থেকে সস্তা গাড়ির মালিক হিসেবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">টাটার নেনো প্রজেক্ট ফেল হলেও এর মাধ্যমে টাটা ক্রেতার ব্যবহার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেয়েছে। বর্তমানে টাটা মোটারস টাটা গ্রুপের মধ্যে সব থেকে লাভজনক কোম্পানি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">তবে মিস্টার টাটা এখানেই থেমে থাকেননি টাটা মোটরসে বিশ্ব দরবারে সমাদৃত করতে তিনি  জাগুয়অর ও ল্যান্ডরোভার- এর মত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কিনে নেন। এছাড়া টাটা ব্রিটিশ চা ব্র্যান্ড টেটলি ও আমেরিকান ব্রান্ড এইট ও ক্লক কিনে নেন। পাশাপাশি টাটা বিভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানি নিজেদের নামে করে নেয়। যার ফলে বর্তমানে টাটা গ্রুপের বেশিরভাগ ইনকাম বহির্বিশ্ব থেকে আসে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8397" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-04-3-1.jpg" alt="রতন টাটা পদ্মা ভূষণ পদক লাভ, ভারতের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদকগুলির একটি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">মিস্টার টাটা ভারতের অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ভারত সরকারের থেকে ২ বার পদ্মা ভূষণ পদক লাভ করেন। টাটা গ্রুপ প্রায় বাজারের সবকিছুতে সফলতা দেখেছে। সেটা টাটা স্টিল হোক কিংবা টাটা মোটরস। মিস্টার টাটা বলেন, যদি দ্রুত যেতে চাও তবে একলা চলো, তবে বহু দূর যেতে চাইলে সবাইকে সাথে নিয়ে চল।  টাটা গ্রুপ সবসময় এই নীতির উপর ভর করে চলেছে। একদিকে যেমন টাটা বড়বড় কোম্পানি তৈরি করেছে অন্যদিকে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড যেমন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল নির্মাণে ভূমিকা রেখেছে। টাটা বিশ্বের লাভজনক কোম্পানির পাশাপাশি একটি সম্মানজনক অবস্থায় পৌঁছে গেছে। যেখানে সবাই মিস্টার রতন টাটাকে স্যার রতন টাটা বলে সম্মান প্রদান করতে স্বচ্ছন্দ্য প্রকাশ করে।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00058/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/ratan-tata-the-remarkable-success-story-of-tata-group/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4182</post-id>	</item>
		<item>
		<title>জানেন কি! বিশ্বে কোন ১০টি মুদ্রার মান সবচেয়ে কম?</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/which-10-currencies-have-the-lowest-value-in-the-world/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/which-10-currencies-have-the-lowest-value-in-the-world/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 Nov 2024 05:51:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কারেন্সী]]></category>
		<category><![CDATA[ফিন-ইকোনমি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4158</guid>

					<description><![CDATA[যদি বলা হয় বাংলাদেশী ৩০০ টাকা নিয়ে যদি আপনি ইরানে যান, নিঃসন্দেহেই আপনাকে  সেখানে দেয়া হবে লাখপতির তকমা! আর ভিয়েনতনামে যদি বাংলাদেশী ৫০০০ টাকা নিয়ে  ঘুরতে যান মিলিওনিয়ার বনে যাবেন সেদেশে! শুনে কিছুটা অবাক হচ্ছেন, তাইনা? তবে তা আদতে সত্যিই! সেসব দেশের প্রচলিত মুদ্রার মান এতটাই কম যে আমেরিকার মার্কিন ডলার তো বটেই- আমাদের দেশের সাপেক্ষেও তাদের দেশের মুদ্রার বিনিময় হার অনেক অনেক কম। যখন আমরা বিশ্বের বিভিন্ন মুদ্রা নিয়ে ভাবি, সাধারণত উন্নত দেশের নানা মুদ্রা যেমনঃ মার্কিন ডলার,  পাউন্ড স্টার্লিং বা সুইস ফ্র্যাঙ্ক  -এর মতো মুদ্রাগুলোর নামই মাথায় আসে। কেননা, এই মুদ্রাগুলো তাদের দেশের অর্থনৈতিক  স্থিতিশীলতা এবং উচ্চমূল্যের জন্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/which-10-currencies-have-the-lowest-value-in-the-world/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/anika/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আনিকা তায়্যিবা</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p style="text-align: left"><span style="text-align: left;font-size: 1.1429rem">যদি বলা হয় বাংলাদেশী ৩০০ টাকা নিয়ে যদি আপনি ইরানে যান, নিঃসন্দেহেই আপনাকে  সেখানে দেয়া হবে লাখপতির তকমা! আর ভিয়েনতনামে যদি বাংলাদেশী ৫০০০ টাকা নিয়ে  ঘুরতে যান মিলিওনিয়ার বনে যাবেন সেদেশে! শুনে কিছুটা অবাক হচ্ছেন, তাইনা? তবে তা আদতে সত্যিই! সেসব দেশের প্রচলিত মুদ্রার মান এতটাই কম যে আমেরিকার মার্কিন ডলার তো বটেই- আমাদের দেশের সাপেক্ষেও তাদের দেশের মুদ্রার বিনিময় হার অনেক অনেক কম।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">যখন আমরা বিশ্বের বিভিন্ন মুদ্রা নিয়ে ভাবি, সাধারণত উন্নত দেশের নানা মুদ্রা যেমনঃ মার্কিন ডলার,  পাউন্ড স্টার্লিং বা সুইস ফ্র্যাঙ্ক  -এর মতো মুদ্রাগুলোর নামই মাথায় আসে। কেননা, এই মুদ্রাগুলো তাদের দেশের অর্থনৈতিক  স্থিতিশীলতা এবং উচ্চমূল্যের জন্য সুপরিচিত। তবে মুদ্রার এপিঠও কিন্তু রয়েছে। এশিয়া, আরব বিশ্ব এবং আফ্রিকার স্বল্পোন্নত বা অনুন্নত কিছু দেশের প্রচলিত মুদ্রা বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের কারণে ব্যাপক অবমূল্যায়নের শিকার হয়। ফলে, অন্যান্য দেশের প্রেক্ষিতে এসব দেশের মুদ্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">আজ আমরা জানব বিশ্বের সব চাইতে দুর্বলতম ১০ টি মুদ্রা সম্পর্কে যেগুলো বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের কারণে তালিকার সর্বনিম্নে অবস্থান করছে। </span></p>
<p><strong>১. লেবানিজ পাউন্ড</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8393" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-01-12-1.jpg" alt="লেবানিজ পাউন্ড মুদ্রা।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রা হলো লেবানিজ পাউন্ড। ২০১৯ সালে শুরু হওয়া তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের কারণে লেবানিজ পাউন্ডের মান কমে তলানিতে এসেছে। দেশটি বর্তমানে সরকারি ঋণ, মুদ্রাস্ফীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, এবং ধসে পড়া ব্যাংকিং খাতের মুখোমুখি। ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ৭৪৯ লেবানিজ পাউন্ড। </span></p>
<p><strong>২. ইরানি রিয়াল</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8392" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-02-12-1.jpg" alt="ইরানি রিয়াল মুদ্রা, যা বৈশ্বিক বাজারে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে কম মূল্য ধারণ করে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">ইরানের প্রচলিত মুদ্রা রিয়াল। বর্তমানে ইরানি রিয়াল বিশ্বের অন্যতম দুর্বল মুদ্রা হিসেবে পরিচিত। ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ৩৫১ ইরানি রিয়াল। এই মুদ্রার পতনের পেছনে দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতা, ইরান ও ইরাকের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ, পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, জরিমানা এবং অভ্যন্তরীন অস্থিতিশীলতার মতো বিষয়গুলো দায়ী। এসব সংকট দেশটির অর্থনীতিকে প্রবল চাপের মুখে ফেলে দিয়েছে, যার ফলে মুদ্রার মূল্য কমতে কমতে তলানিতে নেমে এসেছে।  </span></p>
<p><strong>৩. ভিয়েতনামি ডং</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8391" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-03-5-1.jpg" alt="ভিয়েতনামি ডং মুদ্রা, যা দেশের অর্থনীতির পরিস্থিতি অনুযায়ী কম মূল্যের।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">এরপর আমরা যেই মুদ্রা সম্পর্কে জানব তা হলো ভিয়েতনামের প্রচলিত মুদ্রা, ডং। এই মুদ্রা বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে কম মূল্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে অন্যতম। ভিয়েতনাম দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা অর্থনীতি পরিচালিত হচ্ছে। বাজার ও শ্রমভিত্তিক অর্থনীতির দিকে ধীরে ধীরে দেশটি এগোলেও এই দেশের মুদ্রা এখনও চাপের মুখে রয়েছে। ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ২১১ ভিয়েতনামি ডং । এই অর্থনৈতিক সংস্কারের ধীরগতিই ডং-এর এই নিম্নমূল্য ধরে রাখার অন্যতম কারণ।  </span></p>
<p><strong>৪. সিয়েরা লিওনীয় লিয়ন</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8390" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-04-2-1.jpg" alt="সিয়েরা লিওনীয় লিয়ন মুদ্রা, যা দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে কম মূল্য ধারণ করে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">সিয়েরা লিওনের ব্যবহৃত মুদ্রা হলো লিয়ন। দেশটির দীর্ঘমেয়াদি দারিদ্র্য, দুর্নীতি, এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা মুদ্রার নিম্ন মূল্যমানের কারণ। সিয়েরা লিওন দীর্ঘ এক গৃহযুদ্ধের মধ্য দিয়েও গেছে, যা দেশটির অর্থনীতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। বর্তমানে ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ১৮৯ লিয়ন। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং দুর্বল শাসনব্যবস্থার কারণে  এই দেশের মুদ্রার মূল্য কমে গেছে যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে বড় বাধা সৃষ্টি হয়েছে। </span></p>
<p><strong>৫. লাওশিয়ান কিপ</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8390" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-04-2-1.jpg" alt="লাওশিয়ান কিপ মুদ্রা, লাওসের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের ফলে কম মুদ্রার মান রয়েছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">লাওসের প্রচলিত মুদ্রা হলো লাওশিয়ান কিপ। এটি চালু হয় ১৯৫২ সালে। চালু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব অর্থনীতিতে নিম্নমূল্যের মুদ্রা হিসেবে টিকে আছে লাওশিয়ান কিপ। তবে আশার কথা, গত কয়েক বছরে এই মুদ্রার মূল্য কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ১৮৩ লাওশিয়ান কিপ। লাওস সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য নানা উদ্যোগ নিলেও দেশটির আর্থিক কাঠামোর দুর্বলতা এবং বৈদেশিক সহায়তার উপর নির্ভরশীলতা কিপের মূল্যমান বৃদ্ধিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।</span></p>
<p><strong>৬. ইন্দোনেশীয় রুপিয়া</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8389" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-05-2-1.jpg" alt="ইন্দোনেশীয় রুপিয়া মুদ্রা, যা ইন্দোনেশিয়ার অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে কম মুদ্রার মান ধারণ করে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">গত এক দশকে ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়ার মান উল্লেখযোগ্য কমেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া, নিত্যপণ্যের দামে ওঠানামা, এবং রফতানি পণ্যের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মুদ্রাটির বিনিময় হার কমার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ১৩০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। ইন্দোনেশিয়ার ঋণপত্রের একটি বড় অংশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে থাকায় অর্থনীতিতে মূলধনের প্রবাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ফলে মুদ্রার মান কমতে থাকে, যা দেশটির ক্ষেত্রে হয়েছে।</span></p>
<p><strong>৭. উজবেকিস্তানি সোম</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8388" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-06-1-1.jpg" alt="উজবেকিস্তানি সোম মুদ্রা, যা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রাস্ফীতির কারণে কম মূল্য ধারণ করে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">উজবেকিস্তানে প্রচলিত মুদ্রা সোম মধ্য এশিয়ার অন্যতম দুর্বল মুদ্রা হিসেবে পরিচিত। কোভিড-১৯ এর পর থেকে দেশটির মুদ্রার মান ক্রমান্বয়ে কমতে তথাকে। করোনা মহামারি দেশটির শিল্পোৎপাদনে বেশ বিরূপ প্রভাব ফেলে, যা এর অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেয়। বর্তমানে ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ১০৭ উজবেকিস্তানি সোম । যদিও দেশের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে পুনরায় গতি আসতে শুরু করেছে,  তবে এখনও উজবেকিস্তানের মুদ্রা সোমের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। </span></p>
<p><strong>৮. গিনি ফ্র্যাঙ্ক</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8387" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-07.jpg" alt="গিনি ফ্র্যাঙ্ক মুদ্রা, গিনির অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে একে কম মুদ্রার মানের হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির সরকারি মুদ্রা হলো ফ্র্যাঙ্ক। দেশটির দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ধারাবাহিকভাবে  ফ্রাঙ্ক এর মূল্য হারাচ্ছে। গিনি প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এক দেশ হওয়া সত্ত্বেও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে এই দেশটির মুদ্রা বছরের পর বছর দুর্বল অবস্থায় পতিত হচ্ছে। বর্তমানে ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ৭২ গিনি ফ্র্যাঙ্ক।</span></p>
<p><strong>৯. প্যারাগুয়ান গুয়ারানি</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8386" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-08.jpg" alt="প্যারাগুয়ান গুয়ারানি মুদ্রা, প্যারাগুয়ের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কম মুদ্রার মান ধারণ করে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">প্যারাগুয়ের মুদ্রা গুয়ারানি দেশের অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, দুর্নীতি, এবং বেকারত্বের কারণে ব্যাপক অবমূল্যায়নের শিকার। বর্তমানে ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ৬৬ গুয়ারানি। অতীতের অর্থনৈতিক বিপর্যয় এখনও দেশটির অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে, ফলে প্যারাগুয়ের মুদ্রার মান এখনো স্থিতিশীল হতে পারেনি। </span></p>
<p><strong>১০. কম্বোডিয়ান রিয়েল</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8385" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-09.jpg" alt="কম্বোডিয়ান রিয়েল মুদ্রা, কম্বোডিয়ার অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের ফলে কম মুদ্রার মানে অবস্থান করছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে কম্বোডিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশের জনগণের  কম্বোডিয়ান রিয়েলের প্রতি আস্থা কমে গিয়েছিল। যার ফলে তাদের মার্কিন ডলারের উপর নির্ভরতা বেড়ে যায়। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কম্বোডিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিয়েলের প্রচলন ও ব্যবহার বাড়াতে চেষ্টা করেছে, তবুও দেশের আর্থিক লেনদেনের বড় অংশ এখনও মার্কিন ডলারের উপর নির্ভরশীল। বর্তমানে ১ বাংলাদেশী টাকা সমান প্রায় ৩৩ কম্বোডিয়ান রিয়েল।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, মুদ্রাস্ফীতি, এবং পণ্য রফতানির উপর নির্ভরশীলতা সেসব দেশের মুদ্রার বিনিময় হার কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। কিছু দেশ যেমন লাওস এবং উগান্ডার মুদ্রার মূল্য কিছুটা উন্নতি করলেও ইরান ও সিয়েরা লিওন এখনো সংকটে। তবে যেসব দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে, তাদের অর্থনৈতিক উন্নতির সমূহ সম্ভাবনা আছে।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00057/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/which-10-currencies-have-the-lowest-value-in-the-world/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4158</post-id>	</item>
		<item>
		<title>গ্রামীনফোন কোটি বাঙালির হৃদয় জিতেছে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটি দিয়ে</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/grameenphones-shopno-jabe-bari-the-song-that-won-millions-of-bengalis-hearts/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/grameenphones-shopno-jabe-bari-the-song-that-won-millions-of-bengalis-hearts/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 Nov 2024 03:39:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4148</guid>

					<description><![CDATA[২০০৯ সালের দিকে গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপন ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ প্রথম  টেলিভিশনে প্রচারের পরপরই সাড়া ফেলে দর্শকমহলে। একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের ‘থিম সং’ থেকে দেশের বাড়ি ফেরা মানুষের ‘থিম সং’–এ হয় গানটি। গানটির সুরও সংগীতায়োজন করেছিলেন হাবিব ওয়াহিদ। জীবিকার তাগিদে দেশের কোটি মানুষ গ্রাম থেকে শহরে আসে। দেশের বেশির ভাগ মানুষ গ্রাম থেকে কাজের সন্ধানে ঢাকা আসে, তাই বাড়ি ফেরার আমেজটা ঢাকায় থাকা মানুষের জন্যে বেশি চমকপ্রদ। মানুষের এই ইমোশনকে ধরতেই গ্রামীণফোন আজ থেকে ১৫ বছর আগে বানিয়েছিল এই গানটি। যা কোটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে এখনও। বাঙালিরা সংস্কৃতির প্রতি বেশ আবেগপ্রবণ। আর এই আবেগ প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ‘গান’।। যেমন ধরুন ও &#8216;মোর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/grameenphones-shopno-jabe-bari-the-song-that-won-millions-of-bengalis-hearts/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p style="text-align: left"><span style="font-weight: 400">২০০৯ সালের দিকে গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপন ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ প্রথম  টেলিভিশনে প্রচারের পরপরই সাড়া ফেলে দর্শকমহলে। একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের ‘থিম সং’ থেকে দেশের বাড়ি ফেরা মানুষের ‘থিম সং’–এ হয় গানটি। গানটির সুরও সংগীতায়োজন করেছিলেন হাবিব ওয়াহিদ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">জীবিকার তাগিদে দেশের কোটি মানুষ গ্রাম থেকে শহরে আসে। দেশের বেশির ভাগ মানুষ গ্রাম থেকে কাজের সন্ধানে ঢাকা আসে, তাই বাড়ি ফেরার আমেজটা ঢাকায় থাকা মানুষের জন্যে বেশি চমকপ্রদ। মানুষের এই ইমোশনকে ধরতেই গ্রামীণফোন আজ থেকে ১৫ বছর আগে বানিয়েছিল এই গানটি। যা কোটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে এখনও।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">বাঙালিরা সংস্কৃতির প্রতি বেশ আবেগপ্রবণ। আর এই আবেগ প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ‘গান’।। যেমন ধরুন ও &#8216;মোর রমজানের ও রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ&#8217; এই গানটি ছাড়া যেন আমাদের ঈদ পূর্ণতা পায় না। অন্যদিকে আমাদের বৈশাখ যেন অপূর্ণ থেকে যায় যদি আমরা &#8216;এসো হে বৈশাখ&#8217; গানটা না শুনি। ঠিক তেমন ভাবেই আমাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে  ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটি। যা বিশেষ করে ঈদে ঘর মুখো মানুষের ঈদ আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8380" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-01-11-1.jpg" alt="গ্রামীণফোনের হৃদয় স্পর্শ করা গান ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি,’ কোটি বাঙালির আবেগের প্রতীক।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">মানুষ যখনই ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে অনেকেই লিখছেন, ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’। কেউবা গানটি শেয়ার করে তার অনুভূতির কথা জানায়। আর দর্শক শ্রোতাদের গানটির প্রতি ভালোবাসা দেখে গানের শিল্পী মিলন মাহমুদও খুশি হন। এই সম্পর্কে তিনি বলেন, &#8220;একটা গান যুগ যুগ ধরে টিকে আছে, এটা অনেক আনন্দের বিষয়। গানের অংশ হিসেবে আমি শ্রোতাদের কাছে কৃতজ্ঞ।&#8221;</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">পরবর্তীতে গ্রামীণফোন ২০১৬ সালে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ বিজ্ঞাপন হিসেবে ছাড়েন। তবে এবার গানটিতে কণ্ঠ দেন শিল্পী মিঠুন চক্র। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আসলে দুইটি গানের শিরোনাম একই হলেও গানের কথা একদম আলাদা। তবে গানটির সুরে কিছুটা মিল রয়েছে। ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গান দিয়ে গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন মিঠুন চক্র। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8379" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-02-11-1.jpg" alt="‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গান দিয়ে গায়ক হিসেবে মিঠুন চক্রের আত্মপ্রকাশ।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">দেশের সাধারণ আম-জনতা গানটিকে আপন করে নিয়েছে। আর এভাবেই গ্রামীণফোন তাদের ব্যবসায়িক সাফল্য ও ধরে রাখতে পেরেছে। তারা জানে মানুষ কোন জিনিস নিয়ে চিন্তিত। কোন ব্যাপারটা মানুষ পছন্দ করে। আর আমরাও চাই এভাবেই কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকুক ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গানটি।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00056/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/grameenphones-shopno-jabe-bari-the-song-that-won-millions-of-bengalis-hearts/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4148</post-id>	</item>
		<item>
		<title>যেভাবে পতন হলো বিলিয়ন ডলার প্রতিষ্ঠান বাইজুসের</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/the-reasons-behind-byjus-downfall/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/the-reasons-behind-byjus-downfall/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 09 Nov 2024 08:04:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কোম্পানি ফরেনসিকস]]></category>
		<category><![CDATA[স্টার্টআপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4138</guid>

					<description><![CDATA[যদি বলা হয় মোবাইলের মাধ্যমে অঙ্ক শেখার কথা, শুরুতেই আপনার মাথায় কিসের নাম আসে?  ইউটিউব ভিডিও?  না। অঙ্ক কেবল দেখে নয়, শিখতে হয় অনুশীলনের মাধ্যমে। বর্তমানে তাই  দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে টেন মিনিটস স্কুল বা শিখো- এর মতো মোবাইল অ্যাপস। তবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কথা যদি বলি, তাহলে যেই অ্যাপের কথা বলতে হয় তা হলো বাইজুস। একসময় ভারতের শিক্ষাপ্রযুক্তি (এডটেক) খাতে বিপ্লব ঘটিয়েছিল এই কোম্পানি।  তবে বর্তমানে এক গভীর সংকটের মধ্যে আছে এই এডটেক প্রতিষ্ঠান। ২০১১ সালে বাইজু রবীন্দ্রন এবং দিব্যা গোকুলনাথের প্রতিষ্ঠা করা এই প্রতিষ্ঠান ভারতে শিক্ষাপদ্ধতিতে নতুনত্ব এনেছিল এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পড়ালেখার এক প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান প্রদান করেছিল। ২০১৫ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/the-reasons-behind-byjus-downfall/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/anika/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আনিকা তায়্যিবা</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400">যদি বলা হয় মোবাইলের মাধ্যমে অঙ্ক শেখার কথা, শুরুতেই আপনার মাথায় কিসের নাম আসে? </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ইউটিউব ভিডিও? </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">না। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">অঙ্ক কেবল দেখে নয়, শিখতে হয় অনুশীলনের মাধ্যমে। বর্তমানে তাই  দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে টেন মিনিটস স্কুল বা শিখো- এর মতো মোবাইল অ্যাপস। তবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কথা যদি বলি, তাহলে যেই অ্যাপের কথা বলতে হয় তা হলো </span><b>বাইজুস।</b><span style="font-weight: 400"> একসময়</span> <span style="font-weight: 400">ভারতের</span> <span style="font-weight: 400">শিক্ষাপ্রযুক্তি (এডটেক)</span> <span style="font-weight: 400">খাতে</span> <span style="font-weight: 400">বিপ্লব</span> <span style="font-weight: 400">ঘটিয়েছিল এই কোম্পানি।  তবে বর্তমানে এক</span> <span style="font-weight: 400">গভীর</span> <span style="font-weight: 400">সংকটের</span> <span style="font-weight: 400">মধ্যে আছে</span> <span style="font-weight: 400">এই এডটেক প্রতিষ্ঠান। ২০১১</span> <span style="font-weight: 400">সালে</span> <span style="font-weight: 400">বাইজু</span> <span style="font-weight: 400">রবীন্দ্রন এবং</span> <span style="font-weight: 400">দিব্যা</span> <span style="font-weight: 400">গোকুলনাথের</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠা</span> <span style="font-weight: 400">করা</span> <span style="font-weight: 400">এই</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠান ভারতে শিক্ষাপদ্ধতিতে</span> <span style="font-weight: 400">নতুনত্ব</span> <span style="font-weight: 400">এনেছিল</span> <span style="font-weight: 400">এবং</span> <span style="font-weight: 400">শিক্ষার্থীদের</span> <span style="font-weight: 400">জন্য</span> <span style="font-weight: 400">পড়ালেখার এক প্রযুক্তিভিত্তিক</span> <span style="font-weight: 400">সমাধান</span> <span style="font-weight: 400">প্রদান</span> <span style="font-weight: 400">করেছিল।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">২০১৫</span> <span style="font-weight: 400">সালে</span><span style="font-weight: 400"> “</span><span style="font-weight: 400">বাইজুস</span><span style="font-weight: 400">: </span><span style="font-weight: 400">দ্য</span> <span style="font-weight: 400">লার্নিং</span> <span style="font-weight: 400">অ্যাপ’’</span> <span style="font-weight: 400">চালু</span> <span style="font-weight: 400">হওয়ার</span> <span style="font-weight: 400">পর</span> <span style="font-weight: 400">এটি এত</span> <span style="font-weight: 400">দ্রুত</span> <span style="font-weight: 400">জনপ্রিয়তা</span> <span style="font-weight: 400">অর্জন</span> <span style="font-weight: 400">করে</span> <span style="font-weight: 400">যে</span> <span style="font-weight: 400">অবিশ্বাস্যজনকভাবে মাত্র</span> <span style="font-weight: 400">তিন</span> <span style="font-weight: 400">মাসে</span> <span style="font-weight: 400">দুই</span> <span style="font-weight: 400">মিলিয়ন</span> <span style="font-weight: 400">ডাউনলোড</span> <span style="font-weight: 400">এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন</span> <span style="font-weight: 400">করে।</span> <span style="font-weight: 400">তবে</span> <span style="font-weight: 400">কয়েক</span> <span style="font-weight: 400">বছরের</span> <span style="font-weight: 400">মধ্যে</span> <span style="font-weight: 400">একের</span> <span style="font-weight: 400">পর</span> <span style="font-weight: 400">এক</span> <span style="font-weight: 400">কৌশলগত</span> <span style="font-weight: 400">ভুল</span> <span style="font-weight: 400">এবং</span> <span style="font-weight: 400">কারিগরি</span> <span style="font-weight: 400">জটিলতায়</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠানটি</span> <span style="font-weight: 400">ধ্বসের</span> <span style="font-weight: 400">মুখে</span> <span style="font-weight: 400">পড়ে, যে এক সময়কার বিলিয়ন ডলার কোম্পানি আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে। আজ আমরা জানতে চলেছি সেই আলোচিত কোম্পানি বাইজুস সম্পর্কে।</span></p>
<p><b>শুরুর দিকে</b> <b>সাফল্যের</b> <b>দিনগুলো</b><b>  </b></p>
<p><span style="font-weight: 400">প্রথমদিকে</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুস</span> <span style="font-weight: 400">শিক্ষার্থীদের</span> <span style="font-weight: 400">জন্য</span> <span style="font-weight: 400">অঙ্ক শেখার মজার</span> <span style="font-weight: 400">লার্নিং</span> <span style="font-weight: 400">প্ল্যাটফর্ম</span> <span style="font-weight: 400">হিসেবে</span> <span style="font-weight: 400">পরিচিতি লাভ করে।</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুসের প্রতিষ্ঠাতা বাইজু</span> <span style="font-weight: 400">রবীন্দ্রন বুঝতে পারেন</span> <span style="font-weight: 400">শিক্ষার্থীদের</span> <span style="font-weight: 400">জন্য</span> <span style="font-weight: 400">যদি ইন্টারেক্টিভ</span> <span style="font-weight: 400">কনটেন্ট, গেমস বা ভিজুয়াল কন্টেন্ট তৈরি করা যায় তবেই সফলতা আসবে। কারণ এতে করে বেশী সংখ্যক শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করা যাবে। মূলত</span> <span style="font-weight: 400">গেমিফিকেশন</span> <span style="font-weight: 400">এবং</span> <span style="font-weight: 400">ভিডিও</span> <span style="font-weight: 400">লার্নিংয়ের</span> <span style="font-weight: 400">সমন্বয়ই ছিল বাইজুস-এর</span> <span style="font-weight: 400">জনপ্রিয়তার</span> <span style="font-weight: 400">মূল</span> <span style="font-weight: 400">কারণ। এছাড়া</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠানটি</span> <span style="font-weight: 400">অফলাইন</span> <span style="font-weight: 400">ক্লাস</span> <span style="font-weight: 400">এবং</span> <span style="font-weight: 400">শিক্ষামূলক</span> <span style="font-weight: 400">ট্যাবলেট</span> <span style="font-weight: 400">পিসি সরবরাহ</span> <span style="font-weight: 400">করা শুরু করে</span><span style="font-weight: 400">, </span><span style="font-weight: 400">যা</span> <span style="font-weight: 400">ইন্টারনেট</span> <span style="font-weight: 400">সংযোগ</span> <span style="font-weight: 400">নেই</span> <span style="font-weight: 400">এমন</span> <span style="font-weight: 400">শিক্ষার্থীদের</span> <span style="font-weight: 400">জন্যেও</span> <span style="font-weight: 400">সহায়ক</span> <span style="font-weight: 400">হিসেবে কাজ করছিল।</span><span style="font-weight: 400">  </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">এসকল</span> <span style="font-weight: 400">কৌশলের</span> <span style="font-weight: 400">মাধ্যমে</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুস</span><span style="font-weight: 400">&#8211; </span><span style="font-weight: 400">এর প্রচার প্রসার হতে থাকে। প্রোগ্রামিং</span> <span style="font-weight: 400">কোর্স</span> <span style="font-weight: 400">প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘হোয়াইটহ্যাট</span> <span style="font-weight: 400">জুনিয়র’</span><span style="font-weight: 400">  </span><span style="font-weight: 400">এবং</span> <span style="font-weight: 400">বহুপুরোনো ও অভিজ্ঞ প্রতিযোগিতামূলক</span> <span style="font-weight: 400">পরীক্ষা</span> <span style="font-weight: 400">প্রস্তুতির</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠান ‘আকাশ</span> <span style="font-weight: 400">এডুকেশনাল</span> <span style="font-weight: 400">সার্ভিসেস’ও বাইজুস কিনে নেয়। এর মাধ্যমে</span> <span style="font-weight: 400">তারা</span> <span style="font-weight: 400">শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষাক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন</span> <span style="font-weight: 400">ধরনের</span> <span style="font-weight: 400">শিক্ষাব্যবস্থায়</span> <span style="font-weight: 400">প্রবেশ</span> <span style="font-weight: 400">করে।</span> <span style="font-weight: 400">২০১৯</span> <span style="font-weight: 400">সালে</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুস</span> <span style="font-weight: 400">ভারতীয়</span> <span style="font-weight: 400">ক্রিকেট</span> <span style="font-weight: 400">দলের পৃষ্ঠপোষক হয়</span> <span style="font-weight: 400">এবং</span> <span style="font-weight: 400">পরবর্তী</span> <span style="font-weight: 400">বছরগুলোতে</span> <span style="font-weight: 400">আইসিসি</span> <span style="font-weight: 400">ও</span> <span style="font-weight: 400">ফিফা</span> <span style="font-weight: 400">বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক প্লাটফর্মেও</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুস</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিনিধিত্ব</span> <span style="font-weight: 400">করে।</span> <span style="font-weight: 400">এই</span> <span style="font-weight: 400">উদ্যোগগুলির</span> <span style="font-weight: 400">মাধ্যমে</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুস</span> <span style="font-weight: 400">শুধু</span> <span style="font-weight: 400">ভারতেই নয়, বরং</span> <span style="font-weight: 400">বিশ্বব্যাপী একটি ব্র্যান্ড</span> <span style="font-weight: 400">হিসেবে</span> <span style="font-weight: 400">পরিচিতি</span> <span style="font-weight: 400">লাভ</span> <span style="font-weight: 400">করে।</span></p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8374" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-01-10-1.jpg" alt="২০১৯ সালে বাইজুস ভারতীয় ক্রিকেট দলের পৃষ্ঠপোষক হওয়ার ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>অতিরিক্ত</b> <b>সম্প্রসারণ</b> <b>এবং</b> <b>কিছু ভুল সিদ্বান্ত</b><b>  </b></p>
<p><span style="font-weight: 400">২০১৭</span> <span style="font-weight: 400">থেকে</span> <span style="font-weight: 400">২০২১</span> <span style="font-weight: 400">সালের</span> <span style="font-weight: 400">মধ্যে</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুস</span> <span style="font-weight: 400">প্রায়</span> <span style="font-weight: 400">১৯টি</span> <span style="font-weight: 400">কোম্পানি</span> <span style="font-weight: 400">অধিগ্রহণ</span> <span style="font-weight: 400">করে</span><span style="font-weight: 400">, </span><span style="font-weight: 400">যার</span> <span style="font-weight: 400">জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে</span> <span style="font-weight: 400">প্রায়</span> <span style="font-weight: 400">৩</span> <span style="font-weight: 400">বিলিয়ন</span> <span style="font-weight: 400">ডলার</span> <span style="font-weight: 400">বিনিয়োগ করতে হয়।</span> <span style="font-weight: 400">কিন্তু</span> <span style="font-weight: 400">এই</span> <span style="font-weight: 400">অধিগ্রহণগুলো</span> <span style="font-weight: 400">সঠিকভাবে</span> <span style="font-weight: 400">সমন্বয়</span> <span style="font-weight: 400">করা বাইজুসের পক্ষে সম্ভব হয়নি। এর ফলে প্রতিষ্ঠানের কারিগরি</span> <span style="font-weight: 400">ব্যয়</span> <span style="font-weight: 400">বেড়ে</span> <span style="font-weight: 400">যায়</span> <span style="font-weight: 400">এবং</span> <span style="font-weight: 400">বেশ</span> <span style="font-weight: 400">কিছু</span> <span style="font-weight: 400">কার্যক্রমে</span> <span style="font-weight: 400">ধ্বস</span> <span style="font-weight: 400">দেখা</span> <span style="font-weight: 400">দেয়।</span> <span style="font-weight: 400">নতুন</span> <span style="font-weight: 400">কেনা কোম্পানিগুলোতে</span> <span style="font-weight: 400">কর্মীসংখ্যা</span> <span style="font-weight: 400">বৃদ্ধি</span> <span style="font-weight: 400">পেলেও</span> <span style="font-weight: 400">অভ্যন্তরীণ</span> <span style="font-weight: 400">সমন্বয়ে অভাব দেখা দেয়। এর</span> <span style="font-weight: 400">পাশাপাশি</span> <span style="font-weight: 400">গ্রাহক</span> <span style="font-weight: 400">ধরে</span> <span style="font-weight: 400">রাখার</span> <span style="font-weight: 400">হারও কমে যেতে থাকে।</span> <span style="font-weight: 400">ফলে</span> <span style="font-weight: 400">আয়</span> <span style="font-weight: 400">কমতে</span> <span style="font-weight: 400">শুরু</span> <span style="font-weight: 400">করে</span><span style="font-weight: 400">, </span><span style="font-weight: 400">তবে বাইজুস এই ক্ষেত্রে আয়-ব্যয়ের</span> <span style="font-weight: 400">সামঞ্জস্য বজায় না রেখে ব্যয় বাড়িয়ে চলে। ফলে বিরাট অর্থসংকট দেখা দেয়।</span></p>
<p><b>বিনিয়োগকারীদের</b> <b>আস্থা</b> <b>এবং</b> <b>ঋণ</b> <b>সংকট</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">বাইজুস তার প্রবৃদ্ধি</span> <span style="font-weight: 400">টিকিয়ে</span> <span style="font-weight: 400">রাখতে</span> <span style="font-weight: 400">প্রচুর</span> <span style="font-weight: 400">ঋণ</span> <span style="font-weight: 400">নেয়া শুরু করে,</span> <span style="font-weight: 400">যার ফলে</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠানটির</span> <span style="font-weight: 400">উপর</span> <span style="font-weight: 400">চাপ বাড়ে। ২০২৩</span> <span style="font-weight: 400">সালে</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠানটি</span> <span style="font-weight: 400">ঋণের</span> <span style="font-weight: 400">কিস্তি</span> <span style="font-weight: 400">পরিশোধে</span> <span style="font-weight: 400">ব্যর্থ</span> <span style="font-weight: 400">হয়। এটি বিনিয়োগকারীদের</span> <span style="font-weight: 400">মধ্যে</span> <span style="font-weight: 400">গভীর</span> <span style="font-weight: 400">উদ্বেগের</span> <span style="font-weight: 400">সৃষ্টি</span> <span style="font-weight: 400">করে।</span> <span style="font-weight: 400">এর</span> <span style="font-weight: 400">ফলে</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুস</span> <span style="font-weight: 400">বিভিন্ন আর্থিক</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠানগুলোর</span> <span style="font-weight: 400">সাথে</span> <span style="font-weight: 400">বেশ</span> <span style="font-weight: 400">কয়েকটি</span> <span style="font-weight: 400">আইনি</span> <span style="font-weight: 400">বিরোধেও</span> <span style="font-weight: 400">জড়িয়ে</span> <span style="font-weight: 400">পড়ে।</span> <span style="font-weight: 400">বিনিয়োগকারীদের</span> <span style="font-weight: 400">আস্থা</span> <span style="font-weight: 400">নষ্ট</span> <span style="font-weight: 400">হওয়ায়</span> <span style="font-weight: 400">নতুনভাবে ঋণ বা আর্থিক তহবিল সংগ্রহ</span> <span style="font-weight: 400">করাও</span> <span style="font-weight: 400">কঠিন</span> <span style="font-weight: 400">হয়ে</span> <span style="font-weight: 400">পড়ে। </span><span style="font-weight: 400"> </span><span style="font-weight: 400">প্রতিষ্ঠানটি</span> <span style="font-weight: 400">কয়েক</span> <span style="font-weight: 400">দফায়</span> <span style="font-weight: 400">কর্মী</span> <span style="font-weight: 400">ছাঁটাই</span> <span style="font-weight: 400">করে</span> <span style="font-weight: 400">পরিচালন ব্যয় </span><span style="font-weight: 400"> </span><span style="font-weight: 400">নিয়ন্ত্রণের</span> <span style="font-weight: 400">চেষ্টা</span> <span style="font-weight: 400">চালায় যদিও সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।</span></p>
<p><b>বিপণন</b> <b>কৌশল</b> <b>নিয়ে নীতিগত</b> <b>জটিলতা</b><b> </b></p>
<p><span style="font-weight: 400">বাইজুসের</span> <span style="font-weight: 400">বিপণন</span> <span style="font-weight: 400">কৌশল</span> <span style="font-weight: 400">নিয়ে</span> <span style="font-weight: 400">বেশ</span> <span style="font-weight: 400">সমালোচনা</span> <span style="font-weight: 400">শুরু</span> <span style="font-weight: 400">হয়</span><span style="font-weight: 400">, </span><span style="font-weight: 400">বিশেষত</span> <span style="font-weight: 400">তাদের</span> <span style="font-weight: 400">আক্রমণাত্মক</span> <span style="font-weight: 400">বিক্রয়</span> <span style="font-weight: 400">কৌশল</span> <span style="font-weight: 400">নিয়ে। কর্মীদেরকে প্রত্যেক সপ্তাহে এক লক্ষ গ্রাহকের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয়া হতো, যা পূরণে ব্যর্থ হলে কর্মী ছাটাই এর সিদ্ধান্ত নেয়া হতো। ফলে যেকোনো মূল্যেই হোক কর্মীরা তাঁদের টার্গেট পূরণে কাজ করতেন। জানা গেছে এক কর্মী নিজেই ১৫,০০০ টাকা খরচ করে বাইজুসের</span> <span style="font-weight: 400">কোর্স কিনে নিজের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছিলেন। এমনকি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক দ্বারা জোর করে কোর্স কেনানোর মতো ঘটনাও ঘটে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">এছাড়াও, ভারতের</span> <span style="font-weight: 400">বাজারে</span> <span style="font-weight: 400">নতুন</span> <span style="font-weight: 400">এডটেক</span> <span style="font-weight: 400">কোম্পানির</span> <span style="font-weight: 400">আবির্ভাব ঘটে।ফলে এই সাশ্রয়ী</span> <span style="font-weight: 400">মূল্যের</span> <span style="font-weight: 400">শিক্ষা</span> <span style="font-weight: 400">সমাধানগুলো</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিযোগিতাকে</span> <span style="font-weight: 400">আরও বাড়িয়ে</span> <span style="font-weight: 400">তোলে।</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুসের</span> <span style="font-weight: 400">পণ্যের</span> <span style="font-weight: 400">প্রতি</span> <span style="font-weight: 400">গ্রাহকদের</span> <span style="font-weight: 400">আগ্রহ</span> <span style="font-weight: 400">কমতে</span> <span style="font-weight: 400">শুরু</span> <span style="font-weight: 400">করে</span><span style="font-weight: 400">, </span><span style="font-weight: 400">এবং বাইজুসের</span> <span style="font-weight: 400">পক্ষে</span> <span style="font-weight: 400">প্রতিযোগিতায়</span> <span style="font-weight: 400">টিকে</span> <span style="font-weight: 400">থাকা</span> <span style="font-weight: 400">কঠিন</span> <span style="font-weight: 400">হয়ে</span> <span style="font-weight: 400">পড়ে।</span> <span style="font-weight: 400">একই</span> <span style="font-weight: 400">সঙ্গে</span> <span style="font-weight: 400">সরকারি</span> <span style="font-weight: 400">নীতিমালা</span> <span style="font-weight: 400">ও</span> <span style="font-weight: 400">নিয়ন্ত্রক</span> <span style="font-weight: 400">সংস্থার</span> <span style="font-weight: 400">চাপ প্রতিষ্ঠানটির</span> <span style="font-weight: 400">বিপণন</span> <span style="font-weight: 400">ও</span> <span style="font-weight: 400">পরিচালন</span> <span style="font-weight: 400">কৌশলে</span> <span style="font-weight: 400">বাধা</span> <span style="font-weight: 400">সৃষ্টি</span> <span style="font-weight: 400">করে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">এরই মাঝে বাইজুসের</span> <span style="font-weight: 400">সিইও</span> <span style="font-weight: 400">অর্জুন</span> <span style="font-weight: 400">মোহন</span> <span style="font-weight: 400">পদত্যাগ</span> <span style="font-weight: 400">করেন। এতে</span> <span style="font-weight: 400">নেতৃত্বের</span> <span style="font-weight: 400">ক্ষেত্রে</span> <span style="font-weight: 400">স্থায়ী</span> <span style="font-weight: 400">সংকট</span> <span style="font-weight: 400">তৈরি</span> <span style="font-weight: 400">হয়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি</span> <span style="font-weight: 400">পরিচালন</span> <span style="font-weight: 400">কমিটি পুনর্গঠন</span> <span style="font-weight: 400">ও</span> <span style="font-weight: 400">কর্মীদের</span> <span style="font-weight: 400">মনোবল</span> <span style="font-weight: 400">পুনরুদ্ধারের</span> <span style="font-weight: 400">চেষ্টা</span> <span style="font-weight: 400">করলেও</span> <span style="font-weight: 400">বিনিয়োগকারীদের</span> <span style="font-weight: 400">আস্থা</span> <span style="font-weight: 400">ফিরিয়ে</span> <span style="font-weight: 400">আনতে বাইজুস </span><span style="font-weight: 400"> </span><span style="font-weight: 400">ব্যর্থ</span> <span style="font-weight: 400">হয়।</span></p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8373" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-02-10-1.jpg" alt="বিপণন কৌশল নিয়ে নীতিগত জটিলতার চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>পুনরুদ্ধারের</b> <b>সম্ভাবনা</b> <b>এবং</b> <b>বাইজুসের</b> <b>ভবিষ্যৎ</b><b> </b></p>
<p><span style="font-weight: 400">যদিও</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুস</span> <span style="font-weight: 400">এখন</span> <span style="font-weight: 400">আর্থিক</span> <span style="font-weight: 400">ও</span> <span style="font-weight: 400">নীতিগত</span> <span style="font-weight: 400">জটিলতায়</span> <span style="font-weight: 400">জর্জরিত একটি প্রতিষ্ঠান </span><span style="font-weight: 400">, </span><span style="font-weight: 400">তবে</span> <span style="font-weight: 400">এটি তাদের</span> <span style="font-weight: 400">পুনরুদ্ধারের</span> <span style="font-weight: 400">চেষ্টা</span> <span style="font-weight: 400">চালিয়ে</span> <span style="font-weight: 400">যাচ্ছে।</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুসের</span> <span style="font-weight: 400">অভিজ্ঞতা</span> <span style="font-weight: 400">থেকে</span> <span style="font-weight: 400">অন্য</span> <span style="font-weight: 400">স্টার্টআপ বা ব্যবসাগুলো</span> <span style="font-weight: 400">শিখতে</span> <span style="font-weight: 400">পারে</span> <span style="font-weight: 400">যে</span> <span style="font-weight: 400">প্রবৃদ্ধির</span> <span style="font-weight: 400">পাশাপাশি</span> <span style="font-weight: 400">ব্যয়</span> <span style="font-weight: 400">এবং</span> <span style="font-weight: 400">সঠিক</span> <span style="font-weight: 400">পরিচালন</span> <span style="font-weight: 400">কৌশল</span> <span style="font-weight: 400">বজায়</span> <span style="font-weight: 400">রাখা একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য</span> <span style="font-weight: 400">কতটা</span> <span style="font-weight: 400">গুরুত্বপূর্ণ।</span> <span style="font-weight: 400">বাইজুসের</span> <span style="font-weight: 400">উত্থান</span><span style="font-weight: 400">&#8211;</span><span style="font-weight: 400">পতনের</span> <span style="font-weight: 400">গল্প</span> <span style="font-weight: 400">শুধুমাত্র</span> <span style="font-weight: 400">একটি</span> <span style="font-weight: 400">এডটেক</span> <span style="font-weight: 400">কোম্পানির গল্প</span> <span style="font-weight: 400">নয়</span><span style="font-weight: 400">, </span><span style="font-weight: 400">বরং</span> <span style="font-weight: 400">এটি</span> <span style="font-weight: 400">স্টার্টআপ</span> <span style="font-weight: 400">দুনিয়ায়</span> <span style="font-weight: 400">টেকসই</span> <span style="font-weight: 400">পরিচালনার</span> <span style="font-weight: 400">কৌশলগত</span> <span style="font-weight: 400">ভুলগুলো শেখাতে ও তা</span> <span style="font-weight: 400">সংশোধন</span> <span style="font-weight: 400">করতে</span> <span style="font-weight: 400">সাহায্য করে।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00055/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/the-reasons-behind-byjus-downfall/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4138</post-id>	</item>
		<item>
		<title>বিমানের ইঞ্জিন থেকে লাক্সারি গাড়ি নির্মাতা বিএমডাব্লিউ</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/the-revolutionary-journey-of-bmw-from-aircraft-engines-to-luxury-cars/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/the-revolutionary-journey-of-bmw-from-aircraft-engines-to-luxury-cars/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 09 Nov 2024 04:49:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কোম্পানি ফরেনসিকস]]></category>
		<category><![CDATA[স্টার্টআপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4127</guid>

					<description><![CDATA[বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিমানের ইঞ্জিন তৈরি দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এখন বিশ্বের অন্যতম গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিএমডাব্লিউ। পরবর্তীতে কোম্পানিটি দুইটি বিশ্ব যুদ্ধেই ইঞ্জিন ও গাড়ি সরবারাহ করেছিল জার্মানিকে। যার ফলে প্রতিষ্ঠানটি একেবারে বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছিল। সেই ধ্বংস স্তুপ থেকে উঠে এসে বিএমডাব্লিউ  এখন ৬০ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি। বিএমডাব্লিউ এর যার অর্থ হলো বেভারিয়ান মোটর ওয়ার্কস। ১৯১৩ সালের অক্টোবার মাসে কার্ল ফেডেরিক র‍্যাপ এর হাত ধরে র‍্যাপ মোটর এন্ড ওয়ার্কা নামে যাত্রা শুরু করে বিএমডাব্লিউ। ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার প্রতি র‍্যাপের ছিলো অদম্য আগ্রহ এবং ১৯০৮ থেকে ১৯১১ পর্যন্ত তিনি জাস্ট অটোমোটিভ কোম্পানিতে চাকরি করেন। পরবর্তীতে তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফ্লোগার্ক ডাচল্যান্ডের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/the-revolutionary-journey-of-bmw-from-aircraft-engines-to-luxury-cars/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p style="text-align: left"><span style="font-weight: 400">বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিমানের ইঞ্জিন তৈরি দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এখন বিশ্বের অন্যতম গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিএমডাব্লিউ। পরবর্তীতে কোম্পানিটি দুইটি বিশ্ব যুদ্ধেই ইঞ্জিন ও গাড়ি সরবারাহ করেছিল জার্মানিকে। যার ফলে প্রতিষ্ঠানটি একেবারে বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছিল। সেই ধ্বংস স্তুপ থেকে উঠে এসে বিএমডাব্লিউ  এখন ৬০ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">বিএমডাব্লিউ এর যার অর্থ হলো বেভারিয়ান মোটর ওয়ার্কস। ১৯১৩ সালের অক্টোবার মাসে কার্ল ফেডেরিক র‍্যাপ এর হাত ধরে র‍্যাপ মোটর এন্ড ওয়ার্কা নামে যাত্রা শুরু করে বিএমডাব্লিউ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার প্রতি র‍্যাপের ছিলো অদম্য আগ্রহ এবং ১৯০৮ থেকে ১৯১১ পর্যন্ত তিনি জাস্ট অটোমোটিভ কোম্পানিতে চাকরি করেন। পরবর্তীতে তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফ্লোগার্ক ডাচল্যান্ডের একটি ব্রাঞ্চ প্রধানের দায়িত্ব নেন। যখন ফ্লোগার্ক ডাচল্যান্ডে কোম্পানিটি একেবারে বন্ধ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায়। তখন কার্ল র‍্যাপ এবং তার পার্টনার জুলিয়ার অসপিটাইজার মিলে সকল ধরনের ইঞ্জিন ম্যানুফ্যাকচার করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি কিনে নেয় মাত্র ২ লক্ষ জার্মান কারেন্সি দ্বারা।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">সে সময় আসন্ন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে বিমানের ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছিলো। ফলে র‍্যাপ বিমানের এর জন্য ইঞ্জিন তৈরি শুরু করেন। তার তৈরি ইঞ্জিনগুলোতে কিছু গঠনগত ত্রুটির কারণে তিনি এই ধাক্কায় সফলতার দেখা পাননি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কারণে সে সময় কার্ল র‍্যাপের কোম্পানিটি প্রায় বন্ধ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। প্রুশিয়ান আর্মিদের জন্য ৬০০ বিমানের ইঞ্জিনি তৈরির অর্ডার পেতেই আবার নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করে র‍্যাপ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">র‍্যাপ, ফ্যাংক জোসেফ পপ এবং তার ফ্যাইনান্সিয়াল পার্টনারের সাথে মিলে একটি নতুন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন যার নাম  দেয়া হয়  “বিএফডাব্লিউ” । পরবর্তীতে বিএফডব্লিউ এর নাম পরিবর্তন করে বর্তমান বিএমডাব্লিউ রাখা হয়। সে বছরই কোম্পানিটি তাদের বহুল পরিচিত লোগো উন্মোচন করে। ২০১৮ সালে কোম্পানিটিকে জার্মান শেয়ার বাজারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8369" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-9.jpg" alt="বিএমডাব্লিউ কোম্পানির ছবি - বিলাসবহুল গাড়ি ও প্রযুক্তির প্রতীকী চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ শেষে জার্মানি ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে মিত্র শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করলে কপাল পুড়ে বিএমডাব্লিউ। এই চুক্তিতে বলা হয় জার্মানি বিমানের জন্য কোন ইঞ্জিন তৈরি করতে পারবেনা। তারপর  তারা রেলের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি মনোযোগ দেয়। ১৯২৩ সালে প্যারিস মোটর শো তে কোম্পানিটি তাদের প্রথম মোটরসাইকেল প্রদর্শন করে। এটি ছিল তাদের জন্য প্রথম সম্পূর্ণ নিজেদের তৈরি কোন যান, এর আগে তারা বিভিন্ন যানবাহনের জন্য ইঞ্জিন তৈরি করতো।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">কোম্পানিটি তাদের প্রথম গাড়ি তৈরি করে ১৯২৯ সালে, বিএমডাব্লিউ ৩১৫ নামে। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে শুরু করে। ১৯৩২ সালে কোম্পানিটি </span><span style="font-weight: 400">বিএমডাব্লিউ ৩০৩ নামে নতুন একটি মডেল বাজারে আনে যার ডিজাইন থেকে ইঞ্জিন সব কিছুই তাদের তৈরি ছিল।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8368" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-9.jpg" alt="বিএমডাব্লিউ ৩০৩ মডেল - বিএমডাব্লিউর প্রথম ছয় সিলিন্ডারযুক্ত ক্লাসিক গাড়ির ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">১৯৩৩ সালে আডলফ হিটলার জার্মানির সিংহাসনে বসার শুরুতে বিএমডাব্লিউ  শুধু ইঞ্জিন, মোটরসাইকেল ও গাড়ি ম্যানুফ্যাকচারিং বাদেও একটি অস্ত্র তৈরি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। অস্ত্র তৈরির কাজে জার্মান সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে ছিল। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে জার্মান সেনা দের অস্ত্র সরবরাহ করার দায়ে যুদ্ধ শেষে মিত্র বাহিনী বিএমডাব্লিউ&#8217;র সকল কারখানা বন্ধ করে দেয়। একেবারে দেউলিয়া হবার ঠ্যাকাতে প্রতিষ্ঠানটি রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রকার পণ্য তৈরি শুরু করে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে বিএমডাব্লিউ তাদের R-23 মডেলের পরিবর্তে বাজারে নিয়ে আসে R-24 মোটরসাইকেল। ১৯৫১ সালে কোম্পানিটি বিএমডাব্লিউ ৫০১ নামে তাদের প্রথম গাড়ি বাজারে নিয়ে আসে। গাড়িটি সমাজের এলিট শ্রেণির মানুষদের টার্গেট করে বানালেও তা আশান্রুপ বিক্রি হয়নি। কোম্পানিটির পণ্য গুলো ভালো মানের হলেও অরিতিক্ত দামের জন্য তা ব্যবসা সফল হতে পারছিলনা। সে সময় বিএমডাব্লিউ অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী মারসিডিজ বেঞ্জ কোম্পানিটিকে কিনে নিতে চায়। বিক্রির হাত থেকে বাঁচাতে জার্মানির উদ্যোক্তা হার্বাট কোয়ান্ট কোম্পানিটির বেশির ভাগ শেয়ার কিনে নিলে তাদের আর্থিক অবস্থা কিছুটা ভালো হয়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8367" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-4.jpg" alt="বিএমডাব্লিউ ৫০১ মডেল - ক্লাসিক ডিজাইনের বিলাসবহুল সেডান গাড়ির ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">এরপর তারা তাদের ৭০০ সিরিজের গাড়ি বাজারে নিয়ে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় কোম্পানিটি বাজারে নিয়ে আসে ১৫০০ মডেলের গাড়িও নতুন ধারার মোটরসাইকেল। ১৯৬২ সালে বিএমডাব্লিউ তাদের নিউ ক্লাসের লাইনাপের সেটআপের কম্প্যাক্টএর গাড়ি বাজারে আনে। এই লাইনআপের মাধ্যমেই কোম্পানিটি মূলত বর্তমান স্পোর্টস কার তৈরি সম্ভাবনা খুজে পায়। ১৯৬৮ সালে বিএমডাব্লিউ তাদের নিউ ৬ সিটেন গাড়িগুলো বাজারে আনে যার মধ্যে ই-নাইন মডেলের গাড়িও। যা প্রায় ৩০ হাজার পিস বিক্রি হয়। ১৯৭৬ সালে কোম্পানিটি ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে সিরিজ-৬ মডেলের গাড়ি বাজারে আনে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">সেই সময় বিভিন্ন কার রেসিং প্রতিযগিতায় চালকরা বিএমডাব্লিউ তৈরি গাড়ি ব্যবহার করে বেশ সাফল্য পায়। যার প্রেক্ষিতে বিএমডাব্লিউর তৈরি গাড়ি ফরমুলা-১ ও  ফরমুলা-২ কার রেসিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে শিরোপা জিতেছিল।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">মোটর স্পোর্টস ডিভিশনের দক্ষতাকে ব্যবহার করে কোম্পানিটি বাজারে আনে এম-৩ মডেলের গাড়ি যা বর্তমান সময়ে কোম্পানিটির আইকনিক গাড়ি গুলির মধ্যে অন্যতম। এরপর বিএমডাব্লিউর রেদ-১ নামে ২ সিটের রোস্টার গাড়ি বাজারে আনে, মূলত তাদের তৈরি মেজর কোন প্রজেক্ট যা ম্যাস প্রডাকশনে যায়। স্পোর্টই, রুফলেস স্টাইলিশ দুই</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">দরজার এই গাড়ি তৈরির কাজ চলে ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত চলে এবং মোট ৮ হাজারটি পণ্য তৈরি করা হয়। ব্যবসাসফল এই গাড়ির জনপ্রিয়তা দেখে বাজারের অন্যান্য ব্যান্ড এই ধরণের গাড়ি বাজারে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে জেড-৩ ও ২০০০ সালে জেদ-৮ মডেল গুলো বাজারে আনা হলেও বর্তমানে এই গাড়ি গুলো আর প্রস্তুত করা হয় না। তবে ২০০২ সালে প্রস্তুত হওয়া বিএমডাব্লিউ জি-৪ গাড়িটি একমাত্র রোস্টা যা এখনও বাজারজাত করা হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">১৯৯৪ সালে বিএমডাব্লিউ প্রথমবারের মত জার্মানির বাইতে আমেরিকার সাউথ ক্যারোলাইনাতে তাদের কারখানা প্রতিষ্ঠা করে। বিশ্বজুড়ে এসইউভি ধরণের গাড়ি গুলো বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠলে ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি তাদের এক্স -৫ স্পোর্টস গাড়ি বাজারে আনার মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন একটি লাক্সারিয়াস মার্কেট তৈরি করতে সক্ষম হয়। বিএমডাব্লিউর এই সেগমেন্টটি ব্যবসা সফল করে তোলার পেছনে রোভার গ্রুপকে নিজেদের করে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">একই সময় জেমস বন্ডের মত মুভিতে বিএমডাব্লিউ&#8217;র গাড়ি ব্যবহার করায় জনসাধারণের মাঝে তা ব্যপক সাড়া ফেলে। এছাড়া দ্যা ট্রান্সপোর্টার, ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস এবং মিশন ইম্পসিবল এর মত মুভিতে কোম্পানিটির গাড়ি ব্যবহার করা হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400"> রোলস রয়েসকে কিনে নিতে বিএমডাব্লিউ এবংজার্মান কোম্পানি ফোক্সওয়াগেনের মধ্যে বেশ প্রতিযগিতা হয়। ১৯৯৮ সালে  রোলস রয়েস রোজ প্রাক্তন মালিক ভিকারস কোম্পানিটি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বিএমডাব্লিউ যেহেতু শুরু থেকেই   রোলস রয়েস এর জন্য ইঞ্জিন সরবার করা আসছিল তাই শুরুতেই এগিয়ে ছিল বিডে। কিন্তু একেবারে শেষ দিকে ফোক্সওয়াগেনের ৪৩০ মিলিয়ন পাউন্ডের বিডের কাছে হার মানে বিএমডাব্লিউ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ভিকারস মূলত  রোলস রয়েলস বিমানের ইঞ্জিন প্রডাকশন ইউনিট তাদের কাছে রেখে গাড়ি নির্মাণের সব কিছু বিক্রি করে দেয় ফোক্সওয়াগেনের কাছে। কিন্তু  রোলস রয়েস নিজের কাছে রাখে তাদের ব্রান্ড নেম এবং তাদের জনপ্রিয় লোগো। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিএমডাব্লিউ  রোলস রয়েস এর থেকে ৪০ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিয়মে তাদের ব্যান্ড নেম ও লোগো কিনে নেয়। যার ফলে বিএমডাব্লিউ ফোক্সওয়াগেনের কাছে   রোলস রয়েস এর ইঞ্জিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। ফোক্সওয়াগেনের পক্ষে সঠিক সময়ে ইঞ্জিন তৈরি করা সম্ভব হবে না বুঝতে পারে। তারা বিএমডাব্লিউ সাথে আলোচনার টেবিলে বসে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8366" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-04-1.jpg" alt="বিএমডাব্লিউ বনাম রোলস রয়েস - দুটি আইকনিক লাক্সারি ব্র্যান্ডের তুলনামূলক ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">আলোচনায় সিদ্ধান্ত আসে বিএমডাব্লিউ ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত  ফোক্সওয়াগেনের কাছে  রোলস রয়েস গাড়ি তৈরির জন্য ইঞ্জিন সরবরাহ করবে এবং ফোক্সওয়াগেন লোগো এবং ব্রান্ড নেম ব্যবহার করতে পারবে। ২০০৩ সাল থেকে বিএমডাব্লিউ একাই  রোলস রয়েস গাড়ি তৈরি শুরু করে।  রোলস রয়েসের জন্য ঘোস্ট, ভ্যান্তাম এবং রেইথ মডেলের গাড়ি বাজারে আনে </span><span style="font-weight: 400">বিএমডাব্লিউ যা বিশ্ব জুড়ে ব্যপক সাড়া ফেলে। এছাড়া ব্রিটিশ এরোস্পেসের থেকে বিখ্যাত গাড়ি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান রভার গ্রুপকে কিনে নেয় বিএমডাব্লিউ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে গাড়ির মার্কেট ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরি করছে। এরই সাথে তাল মেলতে </span><span style="font-weight: 400">২০১০-এ বিএমডাব্লিউ তাদের প্রথম হাইব্রিড গাড়ি বাজারে নিয়ে আসে। এরপর ২০১৩ সালে কোম্পানিটি তাদের প্রথম ইলেকট্রিক গাড়ি BMW i3 তৈরি করে। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8365" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-05-1.jpg" alt="বিএমডাব্লিউ i3 মডেল - বৈদ্যুতিক গাড়ির সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ডিজাইনের ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">বর্তমান বিশ্বজুড়ে গ্লোবাল মার্কেটে বিএমডাব্লিউ ৮ম অবস্থানে আছে। কোম্পানিটির ৩৩.৫ শতাংশ গাড়ি আমদানি করে চীন এছাড়া জার্মানি এবং আমেরিকা থেকে তারা ১০ শতাংশের অধিক গাড়ি বিক্রি করে থাকে।  বর্তমানে বিএমডাব্লিউ মোট ক্যাপিটাল ৬০ মিলিয়ন ডলারের বেশি।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00054/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/the-revolutionary-journey-of-bmw-from-aircraft-engines-to-luxury-cars/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4127</post-id>	</item>
		<item>
		<title>ক্রেডিট কার্ডের যথাযথ ব্যবহার ও ঋণ এড়ানোর উপায়</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/how-to-use-your-credit-card-wisely-and-prevent-debt/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/how-to-use-your-credit-card-wisely-and-prevent-debt/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 Nov 2024 05:51:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মানি ম্যানেজমেন্ট এন্ড পার্সোনাল ফিনান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ফিন-ইকোনমি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4117</guid>

					<description><![CDATA[আর্থিক লেনদেনে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার দিন দিন বেড়ে চলেছে। বড় ধরনের কেনাকাটায় সঙ্গে থাকা ক্রেডিট কার্ডটি বেশ কাজের। তবে অনেকের মধ্যে ক্রেডিট কার্ড নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। অনেকে ভাবেন, শেষমেশ এটি ব্যয়ের ফাঁদই হয়ে দাঁড়ায় কি না! চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে আপনার ক্রেডিট কার্ড যথাযথভাবে ব্যবহার করে ঋণ এড়িয়ে চলবেনঃ ক্রেডিট কার্ড কী? এটি হলো এমন একটি প্লাস্টিক কার্ড যা ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা ধার নেওয়ার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে কার্ডধারীরা কেনাকাটা করার সময়, সঙ্গে সঙ্গে পরিশোধ না করে পরে অর্থ পরিশোধ করতে পারেন। ক্রেডিট কার্ড অনলাইন এবং সরাসরি সবজায়গায়ই সহজে গ্রহণযোগ্য, যা কেনাকাটায় নমনীয়তা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/how-to-use-your-credit-card-wisely-and-prevent-debt/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/anika/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আনিকা তায়্যিবা</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p style="text-align: left"><span style="font-weight: 400">আর্থিক লেনদেনে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার দিন দিন বেড়ে চলেছে। বড় ধরনের কেনাকাটায় সঙ্গে থাকা ক্রেডিট কার্ডটি বেশ কাজের। তবে অনেকের মধ্যে ক্রেডিট কার্ড নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। অনেকে ভাবেন, শেষমেশ এটি ব্যয়ের ফাঁদই হয়ে দাঁড়ায় কি না! চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে আপনার ক্রেডিট কার্ড যথাযথভাবে ব্যবহার করে ঋণ এড়িয়ে চলবেনঃ</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ক্রেডিট কার্ড কী? এটি হলো এমন একটি প্লাস্টিক কার্ড যা ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা ধার নেওয়ার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে কার্ডধারীরা কেনাকাটা করার সময়, সঙ্গে সঙ্গে পরিশোধ না করে পরে অর্থ পরিশোধ করতে পারেন। ক্রেডিট কার্ড অনলাইন এবং সরাসরি সবজায়গায়ই সহজে গ্রহণযোগ্য, যা কেনাকাটায় নমনীয়তা নিয়ে আসে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">তবে যে কেউ ই কি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন? না, যে কেউ চাইলেই ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। এর মধ্যে সাধারণ কিছু শর্ত হলো:</span></p>
<ul>
<li style="font-weight: 400"><b>বয়স:</b><span style="font-weight: 400"> বেশিরভাগ দেশে আবেদনকারীর ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮ বছর।</span></li>
<li style="font-weight: 400"><b>আয়ের প্রমাণ:</b><span style="font-weight: 400"> ব্যাংক প্রথমে নিশ্চিত করে আবেদনকারীর নিয়মিত আয় আছে কি না, যাতে ধার করা অর্থ পরিশোধ করা যায়।</span></li>
<li><b>শিক্ষার্থী এবং নতুন ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে সিকিউরিটি ডিপোজিট:</b><span style="font-weight: 400"> কিছু ব্যাংক স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বা সিকিউরড ক্রেডিট কার্ড অফার করে, যেখানে সিকিউরিটি ডিপোজিট দিতে হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও নতুন ব্যবহারকারীরাও কার্ড ব্যবহার শুরু করতে পারেন।</span></li>
</ul>
<p><span style="font-weight: 400">ক্রেডিট কার্ড অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কার্যকর উপায় হলেও এর অসাবধানী ব্যবহার ঋণের ঝুঁকি বাড়ায়।  চলুন জেনে নেই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের কিছু সুবিধা-অসুবিধা এবং ঋণ এড়াতে কীভাবে এটি যথাযথভাবে ব্যবহার করবেনঃ</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8361" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-01-8-1.jpg" alt="ক্রেডিট কার্ড পেমেন্টের সুবিধা ও অসুবিধা: আর্থিক লেনদেনের খুঁটিনাটি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><strong>১. </strong><b>আয় অনুযায়ী ব্যয় করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">ক্রেডিট কার্ডকে নগদ টাকার মতো ব্যবহার করুন। যতটা খরচ করবেন, তা যেন মাস শেষে পুরোপুরি পরিশোধ করতে পারেন সেই হিসাব মিলিয়েই খরচ করবেন। বাজেটের বাইরে বিলাসবহুল কেনাকাটা থেকে বিরত থাকুন।</span></p>
<p><strong>২. </strong><b>সময়মতো পুরো টাকা পরিশোধ করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">সময়মতো ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করা অপরিহার্য। প্রতিটি ব্যাংক একটি সুদমুক্ত গ্রেস পিরিয়ড দিয়ে থাকে, যার মধ্যে কোনো সুদ লাগবে না। এই সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ করলে আপনি সুদ থেকে মুক্ত থাকবেন। এই সময়সীমা যেন ভুলে না যান, প্রয়োজনে রিমাইন্ডার সেট করুন।</span></p>
<p><strong>৩</strong><b>. সুদের হার ও ফি সম্পর্কে জানুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">ক্রেডিট কার্ডে বাকি অর্থের ওপর সুদ ধার্য করা হয়। যেসব ক্ষেত্রে কম সুদের হার পাওয়া যায় সেইসব কার্ড খুঁজুন এবং বাৎসরিক ফি এবং অগ্রিম নেওয়ার ফি সম্পর্কে জেনে নিন।</span></p>
<p><strong>৪. </strong><b>নিয়মিত লেনদেন পর্যবেক্ষণ করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">কার্ড স্টেটমেন্ট বা ব্যাংকের অ্যাপের মাধ্যমে আপনার ব্যয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন। এতে অসংগত লেনদেন বা অতিরিক্ত খরচ শুরুতেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8360" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-02-8-1.jpg" alt="ক্রেডিট কার্ডের নিয়মিত লেনদেন পর্যবেক্ষণ: আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।" width="1024" height="576" /></p>
<p><strong>৫. </strong><b>অপ্রয়োজনীয় কার্ডের সংখ্যা সীমিত রাখুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার সব সময়ই একটি ঋণ নেওয়ার মাধ্যম। আপনি এখন কিনছেন, পরে অর্থ পরিশোধ করতেই হবে। একটা ঝুঁকি থেকেই যায়। আপনি সময়মতো ঋণ পরিশোধ না করলে ঋণ বাড়তেই থাকবে। তাই একাধিক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে খরচের পরিমান বাড়তে পারে। এক বা দুইটি কার্ড রাখাই  সেক্ষেত্রে উত্তম, যাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।</span></p>
<p><strong>৬. </strong><b>রিওয়ার্ড ও অফার সঠিকভাবে ব্যবহার করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ডে সময়ভেদে রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক এবং ডিসকাউন্টের অফার থাকে। এসব সুবিধা কাজে লাগান, তবে রিওয়ার্ড পাওয়ার জন্য অপ্রয়োজনীয় খরচ করবেন না।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ক্রেডিট কার্ড সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি একটি মূল্যবান আর্থিক টুল হতে পারে। তবে দায়িত্বশীল ব্যবহারই অর্থনৈতিকভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। যথাযথ ব্যয়, সময়মতো বিল পরিশোধ এবং উত্তম আর্থিক অভ্যাস আপনাকে ঋণমুক্ত রাখার পাশাপাশি আপনাকে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা ও আর্থিক সুরক্ষা দেবে।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00053/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/how-to-use-your-credit-card-wisely-and-prevent-debt/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4117</post-id>	</item>
		<item>
		<title>“ইট দ্যা ফ্রগ” : সময় ব্যবস্থাপনায় কার্যকর মেথড</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/eat-the-frog-a-productive-method-for-achieving-your-goals/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/eat-the-frog-a-productive-method-for-achieving-your-goals/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 Nov 2024 04:16:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কন্সিস্টেন্সি এন্ড টাইম ম্যানেজমেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4106</guid>

					<description><![CDATA[প্রতিদিন আমরা চব্বিশ ঘণ্টা করে সময় পাই। মিনিটের কাঁটা হিসেব করলে ১৪৪০ মিনিট! এতো সময় পাওয়ার পরেও, অনেকসময় কোনো কাজ করতে গেলে আমরা খেই হারিয়ে ফেলি। পরীক্ষা, প্রেজেন্টেশন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজের সময় মনে হয় নিজেকে অতল সমুদ্রের গভীরে দেখতে পাই। আমরা বুঝতে পারি না কিভাবে কাজ শুরু করবো। এইসকল সমস্যা আমরা খুব সহজেই সমাধান করতে পারি ‘ইট দ্যা ফ্রগ বা ব্যাঙ খাওয়া’ মেথড অনুসরণ করে। ‘ব্যাঙ খাওয়া’ বলতে কিন্তু মোটেও উভচর প্রাণী ব্যাঙ খাওয়ার কথা বলা হয়নি। এটি মূলত একটি সময় ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। চলুন ব্যতিক্রমী এই পদ্ধতি নিয়ে আজকে বিস্তারিত জেনে নেই। ‘ইট দ্যা ফ্রগ বা ব্যাঙ খাওয়া’ বলতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/eat-the-frog-a-productive-method-for-achieving-your-goals/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400">প্রতিদিন আমরা চব্বিশ ঘণ্টা করে সময় পাই। মিনিটের কাঁটা হিসেব করলে ১৪৪০ মিনিট! এতো সময় পাওয়ার পরেও, অনেকসময় কোনো কাজ করতে গেলে আমরা খেই হারিয়ে ফেলি। পরীক্ষা, প্রেজেন্টেশন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজের সময় মনে হয় নিজেকে অতল সমুদ্রের গভীরে দেখতে পাই। আমরা বুঝতে পারি না কিভাবে কাজ শুরু করবো। এইসকল সমস্যা আমরা খুব সহজেই সমাধান করতে পারি</span><b> ‘ইট দ্যা ফ্রগ বা ব্যাঙ খাওয়া’</b><span style="font-weight: 400"> মেথড অনুসরণ করে। </span><b>‘ব্যাঙ খাওয়া</b><span style="font-weight: 400">’ বলতে কিন্তু মোটেও উভচর প্রাণী ব্যাঙ খাওয়ার কথা বলা হয়নি। এটি মূলত একটি সময় ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। চলুন ব্যতিক্রমী এই পদ্ধতি নিয়ে আজকে বিস্তারিত জেনে নেই।</span></p>
<p><b>‘ইট দ্যা ফ্রগ বা ব্যাঙ খাওয়া’ বলতে কি বোঝায়?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">‘ইট দ্যা ফ্রগ বা ব্যাঙ খাওয়া’ মূলত একটি সময় ব্যবস্থাপনা কৌশল। এই কৌশল অনুসরণ করে মানুষ নিজেদের কঠিন কাজগুলো শনাক্ত করে তা আগে শেষ করে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ‘ব্যাঙ খাওয়া’ হলো আপনার দিনের সবচেয়ে কঠিন কাজ শনাক্ত করার এবং অন্য যেকোন কাজ করার আগে এটি সম্পূর্ণ করার প্রক্রিয়া। এই কৌশল অনুযায়ী সকালে কঠিন কাজ (ব্যাঙ খাওয়া ) সম্পন্ন করতে হবে। যদি দুটি ব্যাঙ খেতেই হয় তবে আগে বড়টি খাও। কোন কাজটি বেশি চ্যালেঞ্জিং তা শনাক্ত করুন এবং প্রথম কাজটি করুন।</span></p>
<p><b>ইতিহাস</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">বিখ্যাত আমেরিকান লেখক এবং হাস্যরসাত্মক মার্ক টোয়েন বলেছেন,</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">&#8220;যদি ব্যাঙ খাওয়া আপনার কাজ হয়, তবে সকালে প্রথমে এটি করা ভালো। এবং যদি দুটি ব্যাঙ খাওয়া আপনার কাজ হয় তবে প্রথমে সবচেয়ে বড়টি খাওয়া ভালো।&#8221;</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8356" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-01-7-1.jpg" alt="Brian Tracy এর ‘ইট দ্যা ফ্রগ’ বই: প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি ও সময় ব্যবস্থাপনার কার্যকর উপায়।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">টোয়েনের এই উদ্ধৃতিটির পর এই কৌশলটি বেশ সাড়া ফেলে। কিন্তু ‘ইট দ্য ফ্রগ’ ধারণা নিয়ে সর্বপ্রথম ১৭৯০ সালে ফরাসি লেখক নিকোলাস চ্যামফোর্ট তার নিজের মাতৃভাষায় লিখেছিলেন। এই বাক্যটি চ্যামফোর্ট লিখেছিলেন মোনসিয়র ডি ল্যাসে নামের একজন ব্যক্তির জন্য। কিন্তু রহস্যময় এম ডি লাসারি এবং চ্যামফোর্ট উভয়েই বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এই শব্দগুচ্ছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। লেখক ব্রায়ান ট্রেসি ২০০১ সালে </span><b>&#8220;ইট দ্যাট ফ্রগ!: ২১ গ্রেট ওয়েস টু স্টপ প্রোক্রাস্টিনেটিং অ্যান্ড গেট মোর ডান ইন লেস টাইম&#8221;</b><span style="font-weight: 400"> নামের একটি বই লিখেন। বইতে তিনি &#8220;ব্যাঙ খাওয়া&#8221; ধারণাটি বর্ণনা করেছেন এবং কীভাবে আরও বেশি সফলভাবে ধারণাটি প্রয়োগ করা যায় তা নিয়ে কথা বলেছেন।</span></p>
<p><b>কীভাবে কাজ করে?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">এই পদ্ধতি আসলে বেশ সহজ। এই পদ্ধতি অনুসারে প্রথমে কোন কাজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কোন কাজের অগ্রাধিকার বেশি তা চিহ্নিত করতে হবে। এই কাজগুলোকে &#8220;ব্যাঙ&#8221; বলা হয়। একবার যদি আপনি এগুলোকে আপনার প্লেট থেকে পরিষ্কার করে ফেলেন তাহলে বাকি দিনটি খারাপ যাবে না। অর্থাৎ সবচেয়ে জরুরি কাজটি চিহ্নিত করে তা তাড়াতাড়ি শেষ করতে হবে।</span></p>
<p><b>ব্যাঙ খাওয়ার ৩টি বিশেষ টিপস</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">আপনি যদি মার্ক টোয়েনের মতো সকালে প্রথমে ব্যাঙ খেতে চান তবে এই তিনটি টিপস অনুসরণ করার চেষ্টা করুন।</span></p>
<p><b>প্রথমত,</b><span style="font-weight: 400"> নিয়মিত ব্যাঙ খাওয়ার</span> <span style="font-weight: 400">অভ্যাস করা। যদিও আপনার ব্যাঙগুলো দিনের সবচেয়ে বড় কাজ এবং আপনার লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতি করার জন্য আপনাকে নিয়মিত সেই বড় কাজগুলো সম্পাদন করতে হবে। আপনি যত বেশি ব্যাঙ খাবেন, তত বেশি অগ্রগতি দেখতে পাবেন। আপনার খাওয়া প্রতিটি ব্যাঙ অনেক বড় লক্ষ্যের একটি ছোট অংশ। এভাবে আপনি যখন ১০০টি ব্যাঙ খাবেন, তখন পিছনে ফিরে তাকালে দেখতে পারবেন আপনি কতটা অগ্রগতি করেছেন।</span></p>
<p><b>দ্বিতীয়ত,</b><span style="font-weight: 400"> ব্যাঙ খাওয়া নিয়ে আগে থেকেই পরিকল্পনা করবেন না। ব্যাঙের পরিকল্পনা করা উচিত সর্বাধিক একদিন আগে। সর্বোত্তম অনুশীলন হলো আগের দিন পরিকল্পনা করা। কারণ এতে আপনার মনোযোগ বিঘ্ন হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।</span></p>
<p><b>তৃতীয়ত,</b><span style="font-weight: 400"> সর্বদা সকালে ব্যাঙ খাওয়া। ব্যাঙ খাওয়ার পুরো বিষয় হল এটিকে পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া যাতে অন্যান্য কাজ করার সময় আপনাকে এটি নিয়ে চিন্তা করতে না হয়। ব্যাঙ মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং এবং এই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করা কঠিন। মূল বিষয় হলো কঠিন কাজটি অবিলম্বে সম্পন্ন করে বিলম্বিত করার প্রলোভনকে পরাস্ত করা। একইসাথে, আপনি যখন অন্যান্য কাজ করবেন তখন আপনার ভয় বা দুশ্চিন্তা থাকে না।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8355" src="https://biztech.mydailymint.com/wp-content/uploads/2026/05/image-02-7-1.jpg" alt="ইট দ্যা ফ্রগ মেথডে প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধির জন্য ব্যাঙ খাওয়ার ৩টি বিশেষ টিপস।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>সকালের সময় সর্বোত্তম কেনো?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">এই পদ্ধতিতে সকালের সময়কে সর্বোত্তম বলা হয়েছে। আচরণ বিজ্ঞানী ড্যান এরিয়েলের গবেষণা থেকে জানা যায়, ‘আমরা জেগে ওঠার পরপরই বেশ উজ্জীবিত হয়ে থাকি। ঘুম থেকে ওঠার প্রায় দুই ঘন্টা পর আমরা নিজেদের শীর্ষ শক্তি, ফোকাস এবং অনুপ্রেরণার সময়ে থাকি। যদি আমরা এই মূল্যবান ঘন্টাগুলি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি, তাহলে আমাদের বেশিরভাগই আমরা যা অর্জন করতে চাই তারচেয়ে অনেক বেশি সফল হব।&#8221;</span></p>
<p><b>‘ইট দ্যা ফ্রগ বা ব্যাঙ খাওয়া’ </b><span style="font-weight: 400">কৌশলটি শুধু দিনের জন্য একটি কাজ সম্পূর্ণ করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজটি সম্পন্ন করার পরে দিনের বাকি সময়ে খুব সহজেই ছোট ছোট কাজগুলি সম্পূর্ণ করা যায়। এই পদ্ধতিটি মনোযোগও বৃদ্ধি করে। অনেক সময় একসাথে অনেক কাজ করতে গিয়ে কিংবা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আমরা কাজ এলোমেলো করে ফেলি, কাজের আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। এই কৌশল অবলম্বন করে খুব সহজেই আমরা সফল হতে পারি।</span></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00052/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/eat-the-frog-a-productive-method-for-achieving-your-goals/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4106</post-id>	</item>
		<item>
		<title>চাকরি খোঁজার শীর্ষ ৫টি প্ল্যাটফর্মস</title>
		<link>https://biztech.mydailymint.com/the-top-5-job-searching-websites-for-job-seekers/</link>
					<comments>https://biztech.mydailymint.com/the-top-5-job-searching-websites-for-job-seekers/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[avapq]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 06 Nov 2024 06:00:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্কিল এন্ড ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://biztech.mydailymint.com/?p=4065</guid>

					<description><![CDATA[দেশে চাকরির বাজার যতই প্রসারিত হচ্ছে, যোগ্য পেশাদারদের চাহিদা তত বাড়ছে। চাকরিপ্রার্থীরা এখন উপযুক্ত সুযোগ খোঁজার জন্য অনলাইন জব পোর্টালের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে বর্তমানে বেকারদের জন্য চাকরি খোঁজার প্ল্যাটফর্মগুলি কতটুক গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি চিরন্তন সত্য যে, চাকরির বাজারে প্রার্থী সংখ্যা বর্তমান পদের চেয়ে অধিক বেশি এবং নতুন পদের সংখ্যা খুবই সীমিত। বিভিন্ন জব পোর্টালগুলো সাধারণত চাকরির নিয়োগকর্তাদের সাথে চাকরি প্রার্থীদের সংযোগ করতে একটি কেন্দ্রীয় হাব প্রদান করে থাকে। তারা বিভিন্ন শিল্প এবং অবস্থান থেকে কাজের তালিকার একটি বিশাল ডাটাবেস চাকরি প্রার্থীদের অফার করে, যাতে লোকেরা সহজেই তাদের দক্ষতা এবং আগ্রহের সাথে মিলে এমন কোনো চাকরি বা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/the-top-5-job-searching-websites-for-job-seekers/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/maria/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়শা মারিয়া</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400">দেশে চাকরির বাজার যতই প্রসারিত হচ্ছে, যোগ্য পেশাদারদের চাহিদা তত বাড়ছে। চাকরিপ্রার্থীরা এখন উপযুক্ত সুযোগ খোঁজার জন্য অনলাইন জব পোর্টালের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে বর্তমানে বেকারদের জন্য চাকরি খোঁজার প্ল্যাটফর্মগুলি কতটুক গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি চিরন্তন সত্য যে, চাকরির বাজারে প্রার্থী সংখ্যা বর্তমান পদের চেয়ে অধিক বেশি এবং নতুন পদের সংখ্যা খুবই সীমিত।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">বিভিন্ন জব পোর্টালগুলো সাধারণত চাকরির নিয়োগকর্তাদের সাথে চাকরি প্রার্থীদের সংযোগ করতে একটি কেন্দ্রীয় হাব প্রদান করে থাকে। তারা বিভিন্ন শিল্প এবং অবস্থান থেকে কাজের তালিকার একটি বিশাল ডাটাবেস চাকরি প্রার্থীদের অফার করে, যাতে লোকেরা সহজেই তাদের দক্ষতা এবং আগ্রহের সাথে মিলে এমন কোনো চাকরি বা কর্মক্ষেত্র খুব সহজেই খুঁজে পান এবং আবেদন করতে পারেন।   </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ভালো এবং সুপ্রতিষ্ঠিত সংস্থাগুলো তাদের ওয়েবসাইটে, লিঙ্কডিন বা কোনো জনপ্রিয় বা পরিচিত জব বোর্ড, যেমন- মনস্টার বা ক্যারিয়ার বিল্ডার, বিডিজবস ডট কম, বিডিজবসটুডে ডট কম, চাকরিরখবর ডট নেট, চাকরি ডট কম ডট বিডি- এ তাদের চাকরির শূণ্যপদ সম্পর্কে পোস্ট করে। অনেক কোম্পানী চাকরি সন্ধানকারীদের বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করে, যেমন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার ইত্যাদি।   </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">চলুন আজকের আলোচনায় এমন কিছু জব পোর্টাল সম্পর্কে আমরা জেনে নিই-</span></p>
<p><b>বিডিজবস ডট কম</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">বিডিজবস ডট কম হলো বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং জনপ্রিয় চাকরির পোর্টালগুলির মধ্যে একটি, যেখানে সকল চাকরিপ্রার্থীরা চাকরি খুঁজছেন।</span> <span style="font-weight: 400">এই প্ল্যাটফর্মটিতে বিভিন্ন শিল্প এবং সেক্টর কভার করে চাকরির তালিকার একটি বিস্তৃত ডাটাবেস রয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ওয়েবসাইটটিতে আপনি পার্ট-টাইম জব, ফুলটাইম জব এবং ইন্টার্নশিপ ইত্যাদি অনুসন্ধান করতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করা সহজ এবং আপনি যা করেন (চাকরির শিরোনাম), কোন ধরনের কোম্পানি (শিল্প), কোথায় চাকরি (অঞ্চল) এবং আবেদনের সময়সীমা কখন হয় তার দ্বারা আপনাকে চাকরি অনুসন্ধান করার সুযোগ দেয়।</span></p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-4098 size-full" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/চাকরি-খোঁজার-শীর্ষ-৫টি-প্ল্যাটফর্মস-01.jpg" alt="বিডিজবস ডট কম সম্পর্কিত তথ্য এবং পরিষেবা প্রদর্শনকারী চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">চাকরির জন্য আবেদন করতে হলে আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে যেখানে আপনি আপনার শিক্ষা, কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং যোগাযোগের তথ্য রাখতে পারেন। এমনকি আপনি আপনার জীবনবৃত্তান্ত এখানে আপলোড করে রাখতে পারেন। একবার আপনার অ্যাকাউন্ট হয়ে গেলে, আপনি আকর্ষণীয় কাজগুলি সংরক্ষণ করতে পারবেন, আবেদন করার পরে কোম্পানিগুলির বিভিন্ন কার্যক্রম দেখতে পারবেন এবং অনেক ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একটি ক্লিকের মাধ্যমেই চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন! </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">বিডিজবস ডট কম</span> <span style="font-weight: 400">নিয়োগকারীদের জন্যও একটি বড় আস্থার জায়গা। তারা লক্ষ লক্ষ সম্ভাব্য কর্মচারীদের কাছে তাদের ভ্যাকেন্সির খবর পৌঁছে দেয় এমনকি তাদের বর্তমান কর্মীদের নতুন দক্ষতা শেখাতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স খুঁজে দিয়ে থাকে।</span></p>
<p><b>যোগাযোগঃ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">ঠিকানাঃ ৮ম তলা- পশ্চিম বিডিবিএল বিল্ডিংন (ওল্ড বিএসআরএস), ১২, কারওয়ান বাজার, সি/এ, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ইমেইল এড্রেস: info@bdjobs.com</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ওয়েবসাইটঃ</span><a href="http://www.bdjobs.com/"> <span style="font-weight: 400">http://www.bdjobs.com/</span></a></p>
<p><b>লিঙ্কডিন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">শুধু বাংলাদেশের জন্য না,</span> <span style="font-weight: 400">লিঙ্কডিন হল একটি আন্তর্জাতিক পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে পেশাদার এবং নিয়োগকর্তারা চাকরির সুযোগ সংযোগ এবং পোস্ট করার জন্য ব্যবহার করে থাকেন। এটি মোবাইল অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট উভয়ের মাধ্যমে কার্যকরভাবে অ্যাক্সেস করা যায়। কারণ বর্তমানে লিঙ্কডিন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিভিন্ন দেশে অনেক বেশি।  লিঙ্কডিন বর্তমানে আন্তর্জাতিক চাকরির ওয়েবসাইটগুলির তালিকার শীর্ষে রয়েছে।</span></p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-4097 size-full" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/চাকরি-খোঁজার-শীর্ষ-৫টি-প্ল্যাটফর্মস-02.jpg" alt="লিঙ্কডইন: পেশাদার নেটওয়ার্কিং এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের প্ল্যাটফর্ম।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">এটি চাকরি খুঁজে পেতে এবং চাকরি সন্ধানকারীদের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে থাকে।  অন্যদের সাথে সংযোগ স্থাপন, তথ্য আদান-প্রদান এবং কর্ম খোঁজার পাশাপাশি, লিঙ্কডিন কোম্পানিগুলিকে চাকরির শূণ্যপদ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে পোস্ট করার জায়গা করে দেওয়া এবং চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি আবেদন করার সুযোগ দেয়। এছাড়াও এটি চাকরিপ্রার্থীদের প্রচুর কোর্স অফার করে থাকে। </span></p>
<p><b>বিডিজবসটুডে ডট কম</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">বাংলাদেশে বিডিজবসটুডে ডট কম একটি সুপরিচিত এবং বিশ্বস্ত চাকরির পোর্টাল যেখানে সকল চাকরিপ্রার্থীরা কাজ খুঁজে পেতে পারেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্যারিয়ার ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট হিসাবে বিডিজবসটুডে ডট কম চাকরিপ্রার্থী এবং নিয়োগকর্তা উভয়ের চাহিদার বিষয়ে তীব্রভাবে সচেতন। বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল চাকরির সাইট এবং ক্যারিয়ার-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, বিডিজবসটুডে ডট কম আপনাকে পার্ট-টাইম জব, ফুলটাইম জব, ইন্টার্নশিপ এবং অন্যান্য সুযোগগুলি অনুসন্ধান করার সুযোগ দেয়।</span></p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-4096 size-full" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/চাকরি-খোঁজার-শীর্ষ-৫টি-প্ল্যাটফর্মস-03.jpg" alt="বিডিজবসটুডে ডট কম: বাংলাদেশের চাকরি সম্পর্কিত একটি প্রধান প্ল্যাটফর্ম।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400">বিডিজবসটুডে ডট কম একটি আধুনিক ম্যাচমেকিং পরিষেবার মতো কাজ করে, তবে তা শুধু চাকরির জন্য! তারা, যারা কাজ খুঁজছেন (চাকরি খুঁজছেন) তাদেরকে ইন্টারনেট টুল ব্যবহার করে ব্যবসার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ারও সুযোগ দিচ্ছেন। এটি আপনার জন্য আপনার পছন্দের চাকরি দ্রুত খুঁজে পেতে এবং কোম্পানিগুলিকে নতুন লোক নিয়োগে অর্থ সাশ্রয়েরও সুযোগ করে দেয়।</span></p>
<p><b>যোগাযোগঃ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">এড্রেসঃ ঢাকা, বাংলাদেশ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭৩৯-৯৯৯৪৪৪</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ই-মেইলঃ bdjobstoday@gmail.com</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ওয়েবসাইটঃ</span><a href="http://www.bdjobstoday.com/"> <span style="font-weight: 400">http://www.bdjobstoday.com/</span></a></p>
<p><b>চাকরিরখবর ডট নেট</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">যখন কাজ খোঁজার কথা আসে, তখন বাংলাদেশের সকল চাকরিপ্রার্থীর নিকট চাকরিরখবর ডট নেটও একই রকম ভাবে জনপ্রিয় অবস্থানে আছে।</span> <span style="font-weight: 400">এটিও দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্যারিয়ার ম্যানেজমেন্ট সাইটগুলির মধ্যে একটি। এটি চাকরি অনুসন্ধানকারী এবং নিয়োগকর্তা উভয়ের চাহিদাগুলিকেই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করে। আপনি বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল চাকরির সাইট চাকরিরখবর ডট নেট-এ পার্ট-টাইম চাকরি, ফুল-টাইম চাকরি, ইন্টার্নশিপ ইত্যাদি খুঁজতে পারেন।</span></p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-4095 size-full" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/চাকরি-খোঁজার-শীর্ষ-৫টি-প্ল্যাটফর্মস-04.jpg" alt="চাকরিরখবর ডট নেট: বাংলাদেশে চাকরির সুযোগ সম্পর্কিত একটি প্রধান ওয়েবসাইট।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>যোগাযোগঃ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">এড্রেসঃ পদ্মা লাইফ টাওয়ার, ৪র্থ তলা, ১১৫ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ </span></p>
<p><span style="font-weight: 400">মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭৩৪-৮২৯২৭৮</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ওয়েবসাইটঃ</span><a href="https://chakrirkhobor.net/"> <span style="font-weight: 400">https://chakrirkhobor.net/</span></a></p>
<p><b>চাকরি ডট কম ডট বিডি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">চাকরি ডট কম ডট বিডি বাংলাদেশী চাকরিপ্রার্থী এবং ব্যবসার জন্য একটি অনলাইন জব বোর্ড। এটি একটি সুপরিচিত এবং বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট। এর লক্ষ্য হল দেশের শীর্ষ নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে মানুষকে সংযুক্ত করা। যেহেতু চাকরি ডট কম ডট বিডি হল দেশের প্রিমিয়ার ক্যারিয়ার ম্যানেজমেন্ট সাইট। এটি চাকরি সন্ধানকারী এবং নিয়োগকর্তা উভয়ের চাহিদা সম্পর্কে সচেতনতা অবলম্বন করে। আপনি যদি বাংলাদেশে পার্ট-টাইম চাকরি, ফুল-টাইম চাকরি বা ইন্টার্নশিপ খুঁজেন, তাহলে চাকরি ডট কম ডট বিডি পোর্টালটি দেখে নিতে পারেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">এই প্ল্যাটফর্মটি অত্যাধুনিক ওয়েব প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাকরি সন্ধানকারীদের সরাসরি কোম্পানির সাথে সংযুক্ত করে এবং নিয়োগকর্তাদের জন্য নতুন কর্মচারি নিয়োগে বিভিন্ন খরচ সাশ্রয় করতে সাহায্য করে।</span></p>
<p><b>যোগাযোগঃ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400">এড্রেসঃ হাউজ-১০/বি, রোড-১০৩, ঢাকা-১২১২</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭৩৫-৭১৭১৬৯, ০১৬৭৪-৮৯৪৩৪৭</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ফোনঃ (৮৮০২) ৯৮৮৩৫৫২, ৯৮৮৩৫৪৭, ৯৮৮৩৫৪৯-৫০</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ই-মেইলঃ service@chakri.com</span></p>
<p><span style="font-weight: 400">ওয়েবসাইটঃ</span><a href="http://www.chakri.com.bd/"> <span style="font-weight: 400">http://www.chakri.com.bd/</span></a></p>
<p style="text-align: right"><a href="https://bstandard.info/references00050/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://biztech.mydailymint.com/the-top-5-job-searching-websites-for-job-seekers/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">4065</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
